নিঝুমদ্বীপে বিলুপ্তির পথে চিত্রা হরিণ

দেশে হরিণের অন্যতম অভয়ারন্য নোয়াখালীর নিঝুম দ্বীপ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় বন উজাড় করে বসতি গড়ে তোলায় আবাসস্থল হারাচ্ছে হরিণ। পর্যটন আবর্ষণ হারাচ্ছে দ্বীপটি। পর্যটকদের দাবী এখনই বনটিকে রক্ষা করা না গেলে অচিরেই নিঝুমদ্বীপ থেকে বিলুপ্ত হবে হরিন।

বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে আছে দেশের অন্যতম বৃহৎ পর্যটন কেন্দ্র নিঝুমদ্বীপ। এ দ্বীপের প্রধান আকর্ষণ কয়েক হাজার হরিন। সরকার ২০০১ সালে জাতীয় উদ্যান ও হরিণের অভয়ারন্য হিসেবে ঘোষণা করে নিঝুমদ্বীপকে। স্থানীয়দের দাবী এক সময় এ বনে হরিণ ছিল ৩০ হাজার। বন উজাড় হওয়ায় এ সংখ্যা নেমে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজারে।

নিঝুমদ্বীপে পর্যটকদের মূল আকর্ষণ হরিণ। গাছ কেটে বসতি গড়ে উঠায় আবাসস্থল হারাচ্ছে হরিণ। নিঝুমদ্বীপে গাছ ও হরিণ কমে যাওয়ায় ধীরেধীরে কমছে পর্যটক। হরিণ না দেখে হতাশ হয়ে ফিরতে হয় পর্যটকদের।

পর্যটকদের মতে দ্বীপের চারদিকে বেড়িবাঁধ না থাকায় নোনা পানি বনে ঢুকে হরিণের খাবার পানি ও খাদ্য সংকট দেখা দেয়।

নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌস বন উজাড় হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, হরিণ বাঁচানোর জন্য যে কোন মূল্যে রক্ষা করতে হবে বন।

জেলা বন কর্মকর্তা আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, মানুষ বন উজাড় করে বনে ঢুকে যাওয়ায় নিঝুমদ্বীপ ছেড়ে পার্শ্ববর্তী অন্য বনে চলে যাচ্ছে হরিণ।

Share Button