চট্টগ্রামে বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া////

ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’ কুতুবদিয়ার হয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূলে আঘাত হেনে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকাল ৬টায় মোরা কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করা শুরু করে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ডিউটি অফিসার মাহমুদুল আলম জানান, মোরা কুতুবদিয়া থেকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল ছুঁয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে চট্টগ্রাম নগরীতে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হচ্ছে। সকাল থেকে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে লোকজন সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ঘূর্ণিঝড় মোরার আঘাত থেকে রক্ষা পেতে চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চলের এক লাখ ২০ হাজার মানুষ বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। এরমধ্যে বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা, বাহারছড়া, ছনুয়া, খানখানাবাদ ইউনিয়নের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার লোককে ১০২টি আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে আনা হয়েছে। সন্দ্বীপ উপজেলার ২৫ হাজার, আনোয়ারা উপজেলার ১০ হাজার, সীতাকুণ্ড উপজেলার ৫ হাজার ও কর্ণফুলী উপজেলার সাড়ে ৬ হাজার লোক আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। মহানগরের ৮০টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৫০০ পরিবারের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় মোরার কারণে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। post-tarek

Share Button