SEO (Search Engine Optimization) কত প্রকার ও কি কি?

বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বিভিন্ন আর্টিকেল বা প্রত্যেক SEO & Expert এসইও এর প্রকারভেদ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করেছেন। আমি বলবো না সেগুলো ভুল। অনেক SEO Expert এসইও এর প্রকারভেদ সম্পর্কে দ্বিমত পোষণ করে থাকেন।

তাহলে চলুন দেখা যাক, SEO কত প্রকার কি কি?

 

কাজের পদ্ধতি অনুসারে এসইও সাধারণত তিন প্রকার। যথাঃ

 

. হোয়াইট হ্যাট (White Hat SEO)

. ব্ল্যাক হ্যাট(Black Hat SEO) 

. গ্রে হ্যাট  (Gray Hat SEO)

 

হোয়াইট হ্যাট SEO :

SEO বা Search Engine Optimization- এর যে পদ্ধতি কোনো প্রকার স্পামিং না করে সঠিক নিয়ম অনুসারে সার্চ ইঞ্জিন গুলতে কি-ওয়ার্ড র্যাংক করা হয় তাকে হোয়াইট হ্যাট এসইও বলে। কাজের উপর ভিত্তি করে হোয়াইট হ্যাট এসইও কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ

 

. অন পেজ (On page SEO)  

. অফ পেজ (off page SEO)

 

অন পেজ SEO : 

একটি ওয়েবসাইটের বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে র্যাংক করানোর উদ্দেশ্যে অভ্যন্তরীণ যে সব কাজ করা হয় তাকে অন পেজ এসইও বলে। অন পেজ এসইও এর জন্য যে কাজগুলো করতে হয় সেগুলো হলোঃ-

 

1,keyword research

2,Compititor analysis

3,Yoast SEO plugin Setup

4,Google analytics

5,Google Webmaster tools

6,meta title.

7,meta description

8,img alt tag

9,URL optimization

10,Domain research finalization and setup domain hosting.

12,Create SEO friendly navigation and menu

13,XML site map

14,Robot.Txt

15, HTML Tag H1, H2 and H3

16, NO-follow, DO-follow

17,Internal linking And External Linking

 

অফ পেজ SEO :

যে কোনো ওয়েবসাইটের প্রচার এবং জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইটে URL Share, Link Building এবং যে প্রচারনা করা হয় তাকে অফ পেজ এসইও বলে।

 

অফ পেজ এসইও এর জন্য যে কাজগুলো করতে হয় সেগুলো হলঃ-

 

1,Social bookmarking

2,forum posting

3,answers posting

4,Directory submission

5,Article submission

6,web 2.0

7,Doc Share

8,PBN

9,Guest Post

10,Video submission

11,slide share

12,Link roundup

13,Broken linkbuilding

14,Resource linkbuilding

15,Image Submission

16,add posting

17,Email Marketing

18,voice submission

19, Link Exchange

 

ব্ল্যাক হ্যাট SEO:

যে পদ্ধতিতে সার্চ এঞ্জিন গুলোকে বোকা বানিয়ে কোনো কোনো পেজ কে র;্যাংক করা হয় তাকে ব্ল্যাক হ্যাট SEO বলে।

ব্ল্যাক হ্যাট এসইওএর জন্য কিছু পদ্ধতি দেওয়া হলোঃ-

 

  1. Doorway Page 
  2. Keyword Stuffing
  3. Invisible Article
  4. Duplicate Content
  5. Paid Backlink

 

 

গ্রে হ্যাট SEO:

ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এবং হোয়াইট হ্যাট এসইওএর সংমিশ্রিত প্রক্রিয়াকেই বল হয় গ্রে হ্যাট এসইও।

ট্রাফিক বা ভিসিটরের উপর ভিত্তি করে Search Engine Optimization কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ

 

১। পেইড (Paid) এসইও

এটার মাধ্যমে ওয়েবসাইটাকে খুব দ্রুত গুগলের ফ্রন্ট পেজের টপে (Top) নিয়ে  আসা যায় । এই ধরনের এসইও টাকা দিয়ে করা হয় গুগল অ্যাডওয়ার্ডস (Google adwords) এর মাধ্যমে।

 

২। অরগানিক (Organic) এসইও

এটা একটা ফ্রী ও খুব দীর্ঘ প্রসেস। ওয়েবসাইটকে গুগলের ফ্রন্ট পেজে (Front Page) নিয়ে আসতে অনেক সময় লাগে। প্রসেসটা দীর্ঘ। কিন্তু এটা ফ্রী হওয়ার কারনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এটার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট বা ক্লাইন্টের ওয়েবসাইটে খুব সহজে ভিসিটর (Visitor) নিয়ে আসতে পারবেন।

 

ফাইভার অ্যাকাউন্ট ডিজেবল বা সাসপেন্ড হওয়া বিষয়ে প্রশ্ন এবং উত্তর

ক. এক পিসি বা ল্যাপটপ বা মোবাইল যেখানেই ফাইভার অ্যাকাউন্ট লগ ইন করেন না কেন, কেবল একটা অ্যাকাউন্ট ই লগ ইন করতে হবে। একের অধিক অ্যাকাউন্ট লগ ইন করলেই বাঁশ।
কমন প্রশ্নঃ
১.আমি আমার ফাইভার অ্যাকাউন্ট পিসি তে চালাই, আমি কি মোবাইল এ ফাইভার অ্যাপস এ ফাইভার অ্যাকাউন্ট লগ ইন করতে পারব?
উত্তরঃ হ্যাঁ । অবশ্যই পারবেন। কারণ আপনি তো মোবাইল ও একটা অ্যাকাউন্ট এ লগ ইন করতেছেন। কথাটা আবার ভালভাবে বুঝুন, মনে করুন, আপনার পিসি বা ল্যাপটপ বা মোবাইল এ আপনার অ্যাকাউন্ট লগ ইন করেছেন, এবার আপনার কোন এক বন্ধু বা আপনার নিজের কেউই বা নিজেই মনে করলেন দেখি এই অ্যাকাউন্ট টা লগ আউট করে আরেকটা আই ডি লগ ইন করি, করলেই কিন্তু সাসপেন্ড। মানে আপনার আই ডি যেখানে খুশি লগ ইন করতে পারবেন, কিন্তু যেখানেই লগ ইন করেন না কেন ঐ খানে যেন অন্য কোন অ্যাকাউন্ট আগে লগ ইন না করা থাকে বা হয় শুধুমাত্র একটা অ্যাকাউন্ট লগ ইন করা যাবে।
২. আমার দুইটা অ্যাকাউন্ট আছে, ভিন্ন নাম এ ।আমি যে অ্যাকাউন্ট টা এখন আমার পিসি তে ব্যবহার করি, এইটা আর ব্যবহার করব না, অন্যটা চালাব, এখন কি করব?
উত্তরঃ আপনি আপনার পিসি বা ল্যাপটপ টা উইন্ডোজ সেট আপ দেন, তারপর অন্য আই ডি লগ ইন করেন। মোবাইল এ যদি ভিন্ন অ্যাকাউন্ট চালাতে চান, তবে মোবাইল টা ও রিসেট দেন। তারপর নতুন আইডি লগ ইন করেন। যেহেতু পিসি এবং মোবাইল উইন্ডোজ বা রিসেট দিলে আগের সব ডাটা, অ্যাপস ক্লিন হয়ে যাচ্ছে সুতরাং আপনি নতুন করে সব সেট আপ দিচ্ছেন। অনেকে ভাবে ব্রাউজার এর হিস্ট্রি ক্লিন করলেই তো হয়, কখনো এইটা মনে করবেন না, আপনাকে উইন্ডোজ সেট আপ দিয়েই নতুন মানে আলাদা আই ডি লগ ইন করতে হবে। (তবে যারা রিয়েল আই পি চালান,একটা রিয়েল আই পি তে একটা অ্যাকাউন্ট ই চালাতে হবে তারা নতুন বা অন্য আকাউন্ট ব্যবহার করার আগে আপনার রিয়েল আই পি টা আগে চেঞ্জ করতে হবে।
খ. আপনি কোন বায়ার বা ক্লায়েন্ট এর কাছে তার ইমেইল বা স্ক্যাইপ বা যেকোন পার্সোনাল তথ্য চাইতে পারবেন না। বায়ার বা ক্লায়েন্ট যদি আপনাকে আপনার ইমেইল বা স্ক্যাইপ বা ফেসবুক যে কোন আইডি বা পার্সোনাল তথ্য দিতে বলে আপনি বলবেন যে, সরি, এটা ফাইভার সাপোর্ট করে না, আমি শেয়ার করলে আমার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে দিবে। তার কাজ করতে গেলে গেলে যদি মেইল এর দরকার ই হয়, তাহলে সেটা অর্ডার পেজ এ শেয়ার করতে পারেন, এবং নোট দিয়ে লিখে দিবেন কাজের জন্য লাগতেছে এবং এটা ট্রাস্টেড অ্যান্ড সিকিউরড।
কমন প্রশ্নঃ
১. আমি যদি টেক্সট বা ইমেজ আকারে বা এক্সেল বা ওয়ার্ড ফাইল এ দি তাহলে কি কোন সমস্যা হবে?
উত্তরঃ অনেকে বলে যে দিতে পারেন। আমি বলি, যদি দেন রিস্ক আপনার কারণ ফাইভার এর চোখে পড়লে সাসপেন্ড হবেন বা ওয়ার্নিং ও দিতে পারে, ভাগ্যের উপর নির্ভর করে ওয়ার্নিং নাকি সাসপেন্ড।
অনেকে বলে s-k-p sabuj evabe othobo sss gml com nana vabe এক এক জন একেক ফরম্যাট এর কথা বলেন, যেভাবেই দেন না কেন সাসপেন্ড হবেন, সেটা আজ না হলে ও কিছুদিন পর । ফাইভার এর সাথে পাঞ্জা লড়তে যাবেন না কেউ। রুলস মেনে চলবেন।
গ. যদি অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয় তাহলে ফাইভার এর সাথে কন্টাক্ট করুন দেখেন কি বলে। ফাইভার ই বলবে কি কারণে করেছে। তারপরে আপনি ই বুঝতে পারবেন ফেরত যদি দেই,কিছু ডকুমেন্ট চাইবে, বা না দিলে বলবে আবার নতুন করে তাদের সাথে জইন করতে মানে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে। খুলতে গেলে কিন্তু উইন্ডোজ না মেরেই খুলতে যাইয়েন না আবার।
ঘ. উইথ ড্র দিতে গেলে একটা পেওনিওর অ্যাকাউন্ট একটা ফাইভার অ্যাকাউন্ট এর সাথেই লিঙ্ক করতে পারবেন। এক কার্ড মানে একটা পেওনিওর অ্যাকাউন্ট বিভিন্ন ফাইভার অ্যাকাউন্ট এ যুক্ত করতে পারবেন না।
কমন প্রশ্নঃ
১.পেওনিওর অ্যাকাউন্ট এর নাম এবং ফাইভার অ্যাকাউন্ট এর নাম কি একই হতে হবে? অথবা আমি কি আমার বাবার, মা বা ভাই এর নামে করা পেওনিওর অ্যাকাউন্ট আমার নামে খোলা ফাইভার অ্যাকাউন্ট এ যুক্ত করতে পারব?
উত্তরঃ না। যে কোন পেওনিওর অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে পারবেন , প্রধান কথা হল যে, যে পেওনিওর অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে চাচ্ছেন সে পেওনিওর অ্যাকাউন্ট যেন অন্য কোন ফাইভার অ্যাকাউন্ট এ যুক্ত না থাকে।
২.আমার ফাইভার অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হয়ে গেছে , নতুন ফাইভার অ্যাকাউন্ট খুলেছি, আগের অ্যাকাউন্ট এ যে পেওনিওর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছিলাম, নতুন ফাইভার অ্যাকাউন্ট এ কি পুরনো পেওনিওর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারব?
উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন। কেন না আগের ফাইভার অ্যাকাউন্ট ডিজেবল সুতরাং কার্ড টা তো এখন আর কোন ফাইভার অ্যাকাউন্ট এ ব্যবহার করা হচ্ছে না।
ঘ. অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হলে, তারপর আবার নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে করনীয়ঃ
১. উইন্ডোজ সেট আপ দিতে হবে।
২. নতুন ইমেইল খুলুন সেটা ব্যবহার করুন, আগের আইডি তে সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্ট গুলো যেমন ফেসবুক, লিঙ্কড ইন, গুগল প্লাস যে গুলো লিঙ্কড করেছিলেন নতুন আইডি তে আর এগুলো অ্যাড করতে পারবেন না এমনকি গিগ ও শেয়ার করতে পারবেন না। মানে নতুন করে সব জায়গায় আইডি খুলতে হবে, সেগুলো ফাইভার এর সাথে লিঙ্কড করতে হবে এবং এই নতুন আইডি গুলোতে গিগ শেয়ার করতে হবে। ভুলে ও পুরনো আই ডি গুলোতে গিগ শেয়ার করতে যাবেন না, গেলে আবার বাঁশ।
৩. ফাইভার রুলস গুলো মেনে চলুন যেন আবার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড না হয়।
ঙ. আইপি নিয়ে আলোচনাঃ
আপনি যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তখন যে নেট কানেকশন ব্যবহার করেন সেই কোম্পানি থেকেই একটা আই পি দেয়। আপনি যদি ব্রডব্যান্ড কানেকশন নেন তাহলে প্রথমেই তাদের কে বলুন যে একটা রিয়েল আই পি দিতে যেটা শুধু আপনি ই ব্যবহার করবেন। রিয়েল আইপি এর জন্য তারা আলাদা একটা চার্জ কাটে সেটা আপনি তাদের সাথে আলোচনা করলেই বুঝতে পারবেন। মূলত তারা যে কানেকশন দেই তারা কিন্তু শেয়ার আই পি দেই মানে ঐ একই আইপি অনেকেই ব্যবহার করে ।
যখন তাদের সাথে কথা বলে রিয়েল আইপি নিবেন তখন তারা আপনার জন্যই একটা আলাদা আইপি দিবে এবং যেটা কখনো চেঞ্জ হবে না। আপনি আই পি টা মাঝে মধ্যে চেক করবেন, যদি চেঞ্জ না হয় তবেই সেটা রিয়েল আই পি এবং এইটা ব্যবহার করা অনেক ভাল। এবার চিন্তা করলেন যে একটা রিয়েল আই পি তো নিলাম এবার রাউটার দিয়ে কয়েক বন্ধু ব্যবহার করব এবং সবাই ফাইভার এ কাজ করব। যখন –ই এই কাজ টা করবেন তার মানে সবাই আবার শেয়ার আইপি ব্যবহার করা শুরু করলেন, একি আইপি সবাই, সবার অ্যাকাউন্ট একসাথে সাস্পেন্ড হবে। ধরুন আপনি রাউটার দিয়ে আপনার মোবাইল এ ও আপনার যে আইডি চালাচ্ছেন,
পিসি তো ও সেই আই ডি চালাচ্ছেন , কোন সমস্যা নাই, চালান কারণ আইডি তো একটা এ চালাচ্ছেন ও আই পি ও একই, কোন সমস্যা হবে না। তবে যদি ভাবেন যে না মোবাইল দিয়ে একটা আর পিসি দিয়ে আরেকটা চালাব দুইটাই সাসপেন্ড হবে কারন আই ডি দুইটা কিন্তু আইপি তো একি। একই আই পি দিয়ে একের অধিক মানে আলাদা আইডি চালাতে পারবেন না।
এবার আসি প্রশ্নে ঃ
১. আমি যদি মোডেম দিয়ে চালায়, ধরুন বাংলালায়ন ওয়াইমাক্স বা গ্রামিন, বা বাংলালিঙ্ক যে কোন টা দিয়ে চালায় কোন সমস্যা হবে?
উত্তরঃ চালাতে পারবেন। কোন সমস্যা হবে না।যখন মোডেম দিয়ে চালাবেন তখন দেখবেন যে আপনার আই পি কিছু সময় পর পর চেঞ্জ হচ্ছে, এ নিয়ে ভয়ের কোন কারন নাই, এই খানে কোন সমস্যা হবে না। এক মোডেম দিয়ে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট চালাতে পারবেন। অনেকে জানেন না, তাই তারা বলেন যে, একটা সিম, একটা মডেম দিয়ে একটা অ্যাকাউন্ট চালাতে হবে, আইডি ডিজেবল হয়ে গেলে নতুন সিম, মোডেম নিতে হবে এটা ভুল কথা। আপনি আগের মোডেম, আগের সিম দিয়েই নতুন অ্যাকাউন্ট চালাতে পারবেন।
২. আমি আগে মোডেম দিয়ে চালাতাম এখন ব্রডব্যান্ড নিতে চাচ্ছি অথবা আগে ব্রডব্যান্ড চালাতাম এখন মোডেম দিয়ে চালাব কোন সমস্যা হবে?
উত্তরঃ কোন সমস্যা নাই, চালাতে পারবেন। কিন্তু ব্রডব্যান্ড নিলে যেটা বলেছি ঐ টা মাথায় রেখে চালাবেন। আমি আবারও বলছি মোডেম চেঞ্জ করলে কোন সমস্যা নাই, যে কোন মোডেম যে কোন সময় চালাতে পারবেন।
চ. আপনি যদি দুইটা আইডি চালাতে চান, ফোন এ একটা আর পিসি তে আরেকটা তাহলে ভিন্ন কানেকশন ব্যবহার করুন কারণ আইডি ভিন্ন সুতরাং নেট কানেকশন ও ভিন্ন হতে হবে।
ছ. কারো গিগ হুবহু কপি করলে সাসপেন্ড হতে পারেন।
জ. দুই জনের মধ্যে রিভিউ আদান প্রদান করলে সাসপেন্ড হতে পারেন।
ঝ. কোন ক্লায়েন্ট এর সাথে খারাপ ব্যবহার করলে সাসপেন্ড হতে পারেন।

এসইও গুরুত্বপূর্ণ গাইডলাইন

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কিংবা SEO করে ই-কমার্স সাইটির কন্টেন্টগুলোকে ভালো একটি অবস্থানে আনতে সবসময়ে বেশকিছু বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন । ই-কমার্স সাইটে বেশিরভাগ সময় প্রোডাক্ট বিষয়ক বর্ণনা দিয়ে থাকি আমরা । সেইজন্যে এর বিষয়ে পূর্ণাজ্ঞ কোন প্রোডাক্ট রিভিউ কিংবা প্রোডাক্ট এর ভালো-মন্দ নিয়ে খুব একটা আলোচনা করি না । খেয়াল রাখতে হবে কনটেন্ট সবসময়ের জন্যে প্রয়োজন ,কনটেন্ট এভার । কিন্তু একটা ই-কমার্স সাইটের বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর বিক্রি বাড়াতে হলে এর সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ কিছু কাজ করতে হবে ।

সেই বিষয়গুলো ই-কমার্স সাইটটির পাশাপাশি অন্যভাবে কাজ করেও ই-কমার্স সাইটটির জন্যে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে থাকবে ।
সেগুলো কি ?

অবশ্যই প্রোডাক্ট বিষয়ক লেখা , লিংক বিল্ডআপ , ব্যাকলিংক , Do follow ,No follow , সাব ওয়েবসাইট , ব্লগিং অপশন ।

১। সাব-ওয়েবসাইট কিংবা ই-কমার্স সাইটের সহযোগী সাইট(এফিলিয়েট মার্কেটিং) :

এ সাইটগুলো আমাদের মূল ই-কমার্স সাইটের জন্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । এ সাইটগুলোর সহায়তায় আমরা প্রোডাক্ট বিক্রির যে কাজ করে থাকি একে আমরা এক হিসেবে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে পারি । সাধারণত “আমাজন” এর মত বড় ই-কমার্স সাইটগুলোতে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কথা জানি । সেইসব প্রতিষ্ঠানের জন্যে অনেক কোম্পানি কিংবা ব্যক্তি এফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকে । কিন্তু আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো যেহেতু “আমাজন” এর মতন বড় নয় এবং অচেনা, তাই সেই এফিলিয়েট মার্কেটিংগুলো আমাদের নিজ উদ্যোগেই করতে হবে । এটা SEO করে আমাদের প্রোডাক্টগুলোর নিশ ধরে সেখানে সার্চ ইঞ্জিনে নিজের কোম্পানির প্রোডাক্ট ক্রেতার কাছে সহজে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে ।

২। কিওয়ার্ড রিসার্চঃ

কিওয়ার্ড রিসার্চ ই-কমার্স ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সামনের দিকের উদ্যোগকে অনেক বেশি ত্বরান্বিত করে । পরিকল্পনামাপিক কিওয়ার্ড ব্যবহার করার প্রয়োজন পরে ব্যবসার অবস্থানকে শক্ত করার জন্যে । একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে যত বেশি প্রোডাক্ট সংখ্যা বাড়বে প্রতিনিয়ত ততবেশি কিওয়ার্ড রিসার্চ এর গুরুত্ব ও প্রয়োজন বেড়ে যাবে । প্রতিটি প্রোডাক্ট বিষয়ক কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে হবে সম্ভাব্য ক্রেতার কাছে পৌঁছোতে হলে । হতে পারে ই-কমার্স সাইটটির জন্যে এফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যবস্থা গড়ে তুলে অথবা কোম্পানির নিজ উদ্যোগে প্রতিটি প্রোডাক্ট এর জন্যে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে সম্ভাব্য ভলিউম ভালো এমন কিওয়ার্ড ধরে প্রোডাক্টভিত্তিক কিছু সাপোর্টিং নিশ সাইট তৈরি করা । প্রোডাক্টভিত্তিক কনটেন্ট রেখে প্রোডাক্ট এর ছবি কিংবা ভিডিও রেখে সম্ভাব্য রিচ করতে সাহায্য করবে ক্রেতার কাছে । google keyword planner এই সাইট থেকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে খুব সহজে কিওয়ার্ড নিয়ে রিসার্চ করে ভলিউম দেখে খুব ভালভাবে পছন্দের কিওয়ার্ড বাছাই করা যাবে । তবে সবচেয়ে ভালো হচ্ছে ahrefs.com , “লং টেল প্রো( Long tail pro v3) সফটওয়্যারটি www.longtailpro.com/ প্রফেশনালভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্যে ব্যবহার করা যায়। এতে করে কিওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে পরিপূর্ণ একটা তথ্য পাওয়া যাবে ।

৩। কিওয়ার্ড নির্বাচনঃ

কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হলে প্রথমেই বেশকিছু বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হয় । কেন , কি , কিভাবে এবং কি জন্যে কিওয়ার্ড নিয়ে আমাদের কাজ করবো । প্রোডাক্ট এর ওপর নির্ভর করে কিওয়ার্ড নির্বাচনের কাজ করতে হবে । কিওয়ার্ডকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় । সেগুলো হল –

জেনেরিক কিওয়ার্ড( Generic Keyword)
ব্রড ম্যাচ কিওয়ার্ড (Broad Match Keyword)
লং টেল কিওয়ার্ড (Long Tail Keyword)
সঠিকভাবে কিওয়ার্ড সিলেক্ট করতে হয় প্রোডাক্ট বিষয়ক তথ্য সার্চ ইঞ্জিনে উপরের দিকে যেন থাকে সেই অবস্থান দৃঢ় করার জন্যে । যদি প্রোডাক্ট হয় কম্পিউটার এর মনিটর তবে সেই ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড সিলেকশনের বিষয় তিন রকম হবে এই তিন ধরণের কিওয়ার্ড বাছাইয়ের বিষয়ে ।
– জেনেরিক কিওয়ার্ড( Generic Keyword) – Samsung Monitor

– ব্রড ম্যাচ কিওয়ার্ড (Broad Match Keyword) – Samsung LCD Monitor

-লং টেল কিওয়ার্ড (Long Tail Keyword) – How to buy Samsung LCD Monitor

ঠিক এরকম করে বিভিন্নরকম কিওয়ার্ড নিয়ে সাইট এর জন্যে কাজ করে এসইও করতে হবে । ভালো কনটেন্ট , ভালো ব্যাকলিংক সবকিছুর সমন্বয়ে সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো অবস্থায় নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে ।

৪ । কনটেন্টঃ

“ফাস্ট লুক ফাস্ট ইম্প্রেশন” এ কথাটি এসইও এর ব্যাপারে অবধারিতভাবে মানতে হবে । প্রথম দেখায় আমাদের কাছে যা ভালো লাগে সে জিনিসের ব্যাপারে আমরা খুব বেশি আগ্রহী হয়ে থাকি । একটি সাইটের কনটেন্ট হচ্ছে সেই “প্রথম দেখা” বিষয় । কনটেন্ট এর প্রাঞ্জল – সহজবোধ্য তথ্য , আকর্ষণীয় উপস্থাপন সাইটের বিষয়ে একজন ক্রেতাকে প্রথমেই লেখাগুলো পড়তে আগ্রহী করে তুলবে । প্রথম লাইনের লেখাটিই পরবর্তী অংশ কিংবা এর পরে কি বিষয় ব্যাপারে আছে তা জানার ব্যাপারে ইচ্ছে সৃষ্টি করবে । কনটেন্ট বিভিন্ন রকমের হবে , সেটা হতে পারে লেখা , ছবির মাধ্যমে তথ্য দেয়া , ভিডিও । চমৎকার তথ্যমূলক ছবি , অডিও , স্লাইড ,লেখা কিংবা ভিডিও এর সুন্দর উপস্থাপন সাইটের গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্ট হিসেবে ভূমিকা রাখতে সহায়তা করে এবং সার্চ ইঞ্জিনে সাইটের ট্রাফিক বাড়াবে । সাথে রাখতে হবে সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে সাইট শেয়ারিং এর ব্যবস্থা । এতে করে পাবলিক রিস বেড়ে যাবে ।

৫। মেটা ট্যাগ , টাইটেল এবং ডেসক্রিপশনঃ

মেটা ট্যাগ , টাইটেল এবং ডেসক্রিপশন এর সঠিক ব্যবহার করতে হবে সাইটে । কোন একটি পেজের ট্যাগ কিংবা টাইটেল কিংবা ডেসক্রিপশন অন্য আরেকটি পেজের সাথে যেন না মিলে যায় সেই বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে । প্রতিটি ভিন্ন পেজের ভিন্ন ভিন্ন মেটা ট্যাগ , টাইটেল এর ভিন্নতা প্রদান করবে । গুগল কিংবা অন্য সার্চ ইঞ্জিনগুলো পেজকে বিভিন্ন অবস্থান প্রদান করবে এই মেটা ট্যাগ , টাইটেল এবং ডেসক্রিপশন অনুসারে ।এতে করে প্রতিটি পোস্টের আলাদা করে একটি নাম , একটি ইউআরএল এড্রেস থাকবে । যার দ্বারা প্রতিটি লেখা পোস্ট ভিন্ন ভিন্ন নামে সার্চ ইঞ্জিনে নিজের অবস্থান ঠিক রাখবে ।

৬। প্রোডাক্ট ভিত্তিক এসইওঃ

প্রোডাক্ট ভিত্তিক এসইও করতে হবে । দু-একটি প্রোডাক্ট কিংবা নির্দিষ্ট করে একটি প্রোডাক্ট নিয়ে কিওয়ার্ড সিলেক্ট করে নিশ সাইট বানাতে হবে । এক্ষেত্রে লং টেইল কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হতে পারে । যদি শুধুমাত্র পোশাক বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে কোন নিশ সাইট করতে হয় তবে সার্চ ভলিউম দেখে মোটামুটি সার্চ ভলিউমের কয়েকটি কিওয়ার্ড নিয়ে একটি নিশ সাইট তৈরি করতে হবে । উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে পোশাক নিয়ে কোন নিশ সাইট তৈরি করতে চাইলে কয়েকটি কিওয়ার্ড নিয়ে লংটেইল কিওয়ার্ড নিয়ে একটি পূর্ণাজ্ঞ পোশাক ভিত্তিক ডোমেইন ব্যবহার করে এসইও এর কাজ শুরু করতে হবে । “nice shirt collection” নিয়ে যদি সাইট দাঁড় করানো হয় তবে সাইট দেখে অনায়াসে মানুষ বুঝতে পারবে এই সাইটে সবচেয়ে আকর্ষণীয় শার্ট বিষয়ক তথ্য উপাত্ত পাওয়া যাবে। কোন ডিজাইনের শার্ট এখন সবচেয়ে চলছে , কোন শার্টগুলো এই মুহূর্তে খুব বেশি স্টাইলিশ সেই বিষয়ে এই নিশ সাইট তথ্য পাওয়া যাবে । এর ওপর নির্ভর করে মানুষ মানুষ কোন শার্ট কিনবে তার জন্যে মূল ই-কমার্স সাইটিতে যাবে এবং তার পছন্দের শার্টটি কিনতে উদ্বুদ্ধ হবে । এভাবে করে নিশ সাইটগুলো মূল সাইটের সহকারী হিসেবে থেকে মূলসাইটে ভিজিটর সংখ্যা বাড়াবে এবং ক্রেতা বাড়াবে । এতে করে গুগল র‍্যাংক এ সাইটের অবস্থান উপরে ওঠার পাশাপাশি প্রোডাক্ট সেল এর পরিমান ও বৃদ্ধি পাবে ।

৭ । নিশঃ

কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কিওয়ার্ড নিয়ে নিশের কাজ করতে হবে । সেই উল্লেখযোগ্য ওয়ার্ডগুলোই নিশ হিসেবে সাইটের প্রোডাক্ট বিক্রি বাড়ানোর কাজ করবে । নিশগুলো বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আমাদের কিওয়ার্ড পছন্দ করার ক্ষেত্রে খুব বেশি করে খেয়াল রাখতে হবে । http://keywordtool.io/ ওয়েবসাইট থেকে ই-কমার্স সাইটে যে ধরণের প্রোডাক্ট সেল করা হবে তার উপযোগী কিওয়ার্ড পছন্দ করতে হবে । “ এর http://keywordtool.io/ pro” ব্যবহার করে কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে । এতে সিপিসি/ CPC COST PER CLICK সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে পছন্দের কিওয়ার্ড এর ব্যাপারে । এছাড়া ফ্রিতে http://www.wordtracker.com/সাইটে গিয়ে

কোন কিওয়ার্ড এর সবচেয়ে বেশি ট্রাফিক (ভলিউম) তা জেনে সেই কিওয়ার্ড নিয়ে seo /এসইও এর কাজ করা যাবে সহজে । গুগল থেকে adword keyword planner https://adwords.google.com/KeywordPlanner এটিও আমরা ব্যবহার করতে পারি । ই-কমার্স সাইটে অনেক প্রোডাক্ট থাকলে সেই সব প্রোডাক্ট এর জন্যে আলাদা আলাদা নিশ কিওয়ার্ড ঠিক করে ই-কমার্স সাইটের সাহায্য করা নিশ সাইট বা সহকারী সাইটের জন্যে সেই নিশ কিওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রোডাক্ট রিভিউ দিতে হবে । নিশ কিওয়ার্ডগুলো হবে বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর নামের সাথে মিল কিওয়ার্ডগুলো , যেমনঃ পুতুলের ক্ষেত্রে doll , খেলা বিষয়ক সরঞ্জামদির ক্ষেত্রে sports কিওয়ার্ড, বই বিষয়ক বিষয়ে book কিওয়ার্ড এর সাথে সম্পর্ক রেখে আরও কিছু কিওয়ার্ড যুক্ত করে একটা নিশ কিওয়ার্ড সিলেক্ট করতে হবে । এতে করে গুগলে সার্চ দিলে ওই বিষয়ক কোন প্রোডাক্ট যদি কোন ক্রেতা খোঁজ করে তবে ওই নিশ সাইটগুলোর নাম আসবে , আর সেখান থেকে প্রোডাক্ট রিভিউ পড়ে মূল ই-কমার্স সাইটে প্রোডাক্ট কিনতে ক্রেতা প্রবেশ করবে সাইটে । আর এভাবেই আপনার সাইটে ক্রেতা সংখ্যা বাড়তে নিশ সাইট সাহায্য করবে , বিশেষ করে বিদেশী ক্রেতা ধরার ক্ষেত্রে এ সহযোগী সাইটগুলো মূল ই-কমার্স সাইটের জন্যে দারুণ ভুমিকা রাখবে ।

৮। ব্যাকলিংকঃ

নিশ সাইটগুলোর সাথে মূল সাইটের ব্যাকলিংক তৈরি করে মূল ই-কমার্স সাইটটির মধ্যে ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করে মূল ই-কমার্স সাইটে পজিশন ,গুগলে অবস্থান ভালো করা যেতে পারে । এতে করে সার্চ ইঞ্জিনে ক্রেতা কোম্পানির ই-কমার্স সাইট এর সাথে সরাসরি পরিচিত হতে পারবে। । ই-কমার্স সাইটটির সাথে যে যে সাইট যুক্ত আছে তাতে এংকর ওয়ার্ড কিংবা এংকর টেক্সট থাকে কিছু । এ এংকর ওয়ার্ড কিংবা এংকর টেক্সট হচ্ছে যে শব্দটি কিংবা যে বাক্য এর সাথে ই-কমার্স সাইটির ব্যাকলিংক রয়েছে সেই লিংকের শব্দের ওপর মাউজ কারসর রাখলে সেই শব্দে ব্যাকলিংক এর নাম কিংবা ব্যাকলিংকের শব্দ দেখা যায় , যে শব্দের ওপর কারসর রাখলে এ লেখা দেখা যায় সেই শব্দ এংকর ওয়ার্ড কিংবা এংকর টেক্সট । এর দ্বারা একজন ব্যক্তি সেই এংকর ওয়ার্ড কিংবা এংকর টেক্সট দ্বারা প্রাথমিকভাবে ব্যাকলিংক এর ব্যাপারে একটি ধারণা পায় । এভাবে অন্য একটি সাইট থেকে ই-কমার্স সাইটে প্রবেশের সুবিধা রাখা যায় , সাথে করে শব্দের সাথে সামাঞ্জস্যতা রেখে সেইরকম প্রোডাক্ট এর ব্যাকলিংক করা থাকলে সেই ভিন্ন সাইট থেকে সরাসরি ক্রেতা তার পছন্দের প্রোডাক্ট এর খোঁজ পেতে পারে । এই যে লিংক যেটি মূল সাইটটি পেলো সহযোগী সাইট থেকে অর্থাৎ মূল সাইটের লিংক থাকলো সহযোগী সাইটে , এটিই মূল সাইটের ব্যাকলিংক । তথ্যমূলক ছবি , অডিও , স্লাইড ,লেখা কিংবা ভিডিও এর মাধ্যমেও মূল সাইটের জন্যে ব্যাকলিংক করা যায় । ইউটিউব , ভিমিও এধরণের ভিডিও শেয়ারিং সাইট থেকেও ব্যাকলিংক করা যায় মূল সাইটের জন্যে । এছাড়া উইকি , ফোরাম, ব্লগ , বিভিন্ন কমিউনিটি সাইট এর সাথে ব্যাকলিংক করা যেতে পারে । এই যে এখানে “বল্ড” আকারে কিছু শব্দ কিংবা বাক্য আছে সেগুলো ব্লগের ই-কমার্স বিষয়ক কিছু লেখার ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করছে , সেখানে ই-কমার্স বিষয়ক অনেকগুলো লেখা রয়েছে । ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক সমূহ দেখার জন্যে এ ওয়েবসাইট https://ahrefs.com/ ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে । সাইটটিতে রেজিস্ট্রেশন করে ব্যাকলিংকসহ যাবতীয় কিছু সুবিধাসমূহ পাওয়া যাবে ।

৯ । SERP (SEARCH ENGINE RESULTS PAGE) :

একজন ব্যবহারকারীর জন্যে সার্চ ইঞ্জিন তার প্রয়োজন অনুযায়ী কনটেন্ট কিংবা তথ্য উপস্থাপন করে থাকে । যিনি এই সুবিধা নিচ্ছেন তার কি ধরণের কনটেন্ট দরকার সেই ধরণের কনটেন্ট হাজির করে । সবসময় ইউনিক কনটেন্ট এর এ জন্যে অনেক গুরুত্ব । ভালো মানের কনটেন্ট সবসময়য়ে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো ইনডেস্ক পেয়ে থাকে । প্রতি মুহূর্তে সার্চ ইঞ্জিনে অবস্থান ধরে রাখার জন্যে প্রয়োজনীয় ভালো কনটেন্ট , লিংক বিল্ড সবকিছু অনেক গুরুত্ব । সার্চ ইঞ্জিনে ভালো ট্রাফিকের জন্যে এর অন্য কোন উপায় নেই । তাই লেখার কোয়ালিটি মান ধরে রেখে ট্রাফিক বাড়াতে হবে । ভালো কনটেন্ট অনেক ভালো ট্রাফিক আনবে । এরজন্য ওয়েবমাস্টার এর ভালো ব্যবহার প্রয়োজন । গুগল এসইও টুল ওয়েবমাস্টার টুলস https://www.google.com/webmasters/tools/ এবং বিং ওয়েবমাস্টার টুলস www.bing.com/toolbox/webmaster এর মাধ্যমে মূল সাইটটি সহ সহযোগী সাইটগুলো এই ওয়েবমাস্টার এ সাবমিট করে ওয়েবসাইট ইনডেস্ক করতে হবে । এতে করে গুগল ও বিং উভয় সার্চ ইঞ্জিনে খুব দ্রুত সময়ে লিংক ইনডেস্ক হবে । সাইট কি অবস্থানে আছে সার্চ ইঞ্জিনে তা দেখতে হলে http://www.alexa.com/ থেকে ওয়েবসাইট এলেক্সা র‍্যাংক দেখে নেয়া যায় । সে অনুসারে সার্চ ইঞ্জিনে একটি সাইটের র‍্যাঙ্ক জানা যাবে । এছাড়া https://www.pinterest.com/ এর মতন সাইট থেকে Do follow ব্যাকলিংক তৈরি করে ওয়েবসাইটের ইনডেস্ক বৃদ্ধিতে সহায়তা করা যায় ।

১০। প্রোডাক্ট সিলেকশনঃ

ব্যাকলিংক এর এংকর টেক্সট এর মাধ্যমে যেহেতু ক্রেতা মূল সাইটের ব্যাপারে প্রাথমিক ধারণা পাবে , সেহেতু ক্রেতা বুঝতে পারবে কোন এংকর টেক্সট এ ক্লিক করে ক্রেতা তার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট সম্পর্কে ধারণা নিবে । আর সেই এংকর টেক্সট থেকেই মূল সাইটে চলে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রোডাক্ট কিনে নেবে ক্রেতা । প্রোডাক্ট যদি শার্ট হয় এংকর টেক্সট এ সেই ধারণা দেয়া থাকবে আর ক্রেতা সেই মোতাবেক সেই প্রোডাক্ট কেনার প্রয়োজনীয় মূল ই-কমার্স সাইটের শার্টের এর পেজে চলে যাবে রিভিউ পড়ে। খেলার সামগ্রীর ক্ষেত্রেও একইভাবে লিংক বিল্ডআপ করে এংকর টেক্সট ধরে ব্যাকলিংক ক্রেতার চাহিদার কথা মনে করে সাইটগুলো তৈরি করতে হবে। একজন ক্রেতা এংকর টেক্সট এ ক্লিক করে সেই বিষয়ক পরামর্শ কিংবা ব্লগের লেখারও লিংক পেতে পারে যদি সেই লিংক করা যে সাইটের সাথে সেই সাইটে যদি এরকম তথ্য কিংবা পরামর্শ লেখা থাকে ।

১১ । হোস্টিং সার্ভার প্ল্যানঃ

এসইও করার জন্যে হোস্টিং নিয়েও ভাবনার প্রয়োজন পরে। মূল ই-কমার্স সাইটির সাহায্যকারী নিশ সাইটগুলো একই শেয়ার হোস্টিং এর অন্তর্ভুক্ত রাখা উচিত নয় । ব্যাকলিংক রয়েছে শুধুমাত্র সেইরকম নিশ সাইটগুলোর জন্যে আলাদা আলাদা হোস্টিং লাগবে, অর্থাৎ শেয়ার হোস্টিং হলে হবেনা । ভিন্ন হোস্টিং সার্ভারে ভিন্ন ভিন্ন সাইট রাখতে হবে , যা ব্যাকলিংক রয়েছে সেইরকম নিশ সাইটগুলোকে গুগল সার্চের জন্যে সহায়ক হবে। ই-কমার্স সাইট এর জন্যে ক্লাউড হোস্টিং সার্ভার ব্যবহার করা বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

১২ । কিওয়ার্ড র‍্যাংকঃ

প্রোডাক্ট রিভিউ একটি প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট সম্পর্কে দারুণ ধারণা দেয় । সেই রিভিউ কিংবা প্রোডাক্ট সম্পর্কে কন্টেন্টগুলো ইউনিক হতে হবে । কিওয়ার্ড সার্চ করে করে মোটামুটি সার্চ ভলিউম আছে এরকম কিওয়ার্ড বের করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের কয়েকটি প্রোডাক্ট এর নামের সাথে যায় সেইরকম কিছু কিওয়ার্ড নিয়ে নিশ সাইটের জন্যে কাজ করতে হবে । কোন প্রকার লিংক বিল্ডআপ ছাড়া শুধুমাত্র ইউনিক আর্টিকেল দিয়ে কিওয়ার্ড ব্যবহার কন্টেন্টকে দারুণ অবস্থানে নিয়ে যাবে । এজন্যে প্রোডাক্ট এর কনটেন্টকে “কনটেন্ট কিং” বলে । শুধু আকর্ষণীয় তথ্যবহুল ইউনিক কনটেন্ট দিয়েও সার্চ ইঞ্জিনে মূল ই-কমার্স সাইটের সহযোগী সাইটটির সার্চ লেভেলের অবস্থান ভালো করা যাবে।

১৩। ডু Do follow – (নো) No follow:

বিভিন্ন সাইট আছে যেগুলো Do follow বিষয়টি অনুসরণ করে । আমাদের অনেক সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে হয় , অনেক প্রোডাক্ট সম্পর্কে অনেক মানুষ জানতে চায় তখন মানুষ সেই দরকারি তথ্যের জন্যে সাইটগুলোতে প্রবেশ করে । Do follow মূলত হচ্ছে মানুষ যেসব সাইটগুলোকে বেশি অনুসরণ করে সেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার হয় । গুগল তার সার্চ ইঞ্জিনে Do follow ব্যাপারটি গুরুত্ব দেয় এবং সেই বিষয়গুলো সার্চ রেজাল্টে গুরুত্ব পেয়ে অবস্থান করে । নিম্নে দেয়া কোড লাইনটির মত Do follow বিষয়গুলো আমাদের সাইটগুলোয় রাখলে ওই বিষয় গুগল সার্চ ইঞ্জিন বেশি প্রাধান্য দিবে । Do follow দিয়ে বুঝিয়ে দেয়া হয় যে এই সাইট অনুসরণ করতে হবে ।

<a href=http://www.e-cab.net rel=”dofollow”> Ecommerce </a>

উপরের কোডটি দ্বারা বাংলাদেশের একমাত্র ই-কমার্স বিষয়ক ব্লগ ই-ক্যাবটিকে অনুসরণ করতে বলা হচ্ছে , কারণ এই সাইটে সংযুক্ত আছে ব্লগ । কারণ এতে করে এ খাতের উদ্যোক্তা কিংবা মানুষ জানতে পারবে অনলাইন ব্যবসা – ইলেকট্রনিক বিজনেস নিয়ে । তাতে ই-কমার্স নিয়ে একটি তথ্য ভাণ্ডারের দিকে মানুষ উৎসাহ দেয়া হচ্ছে ।

Do follow এর বিষয়টির মতন ঠিক বিপরীত একটি বিষয় হচ্ছে No follow । একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়টি কোন কনটেন্ট এর ক্ষেত্রে কোডিং এ বিষয়টি দিয়ে বুঝিয়ে দেয়া হয় যে এই লেখা গুগল অনুসরণ না করলেও চলবে । এতে করে গুগল সেই পোস্টগুলোকে প্রাধান্য দেয় না । No follow এর ক্ষেত্রে এ কোডটি ব্যবহৃত হয় পোস্টের ব্যাকগ্রাউন্ডে ।

<a href=http://www.wikipedia.org rel=”nofollow”>Wikipedia </a>
যদিও উইকিপিডিয়া অনেক ব্যবহৃত একটি সাইট কিন্তু এটা No follow । অর্থাৎ গুগল এ No follow অবস্থানে এটি আছে । এটা অনুসরণ না করলেও চলবে , তবুও উইকিপিডিয়া আমরা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে থাকি বিভিন্ন তথ্য জানার জন্যে । আমাদের জীবনের সাথে বিভিন্ন তথ্যের ব্যাপারে এটি অনেক ওতপ্রোতভাবে জড়িত ।

১৪। এফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যবস্থা ও এফিলিয়েট মার্কেটারঃ

ই-কমার্স সাইটে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ব্যবস্থা রাখতে হবে অতিথি এফিলিয়েট মার্কেটারদের জন্যে । মার্কেটিং এবং এসইওতে দক্ষ মানুষরা যেন ই-কমার্স সাইটটির বিভিন্ন প্রোডাক্ট নিয়ে এসইও মার্কেটিং করে তার জন্যে উৎসাহমূলক ব্যবস্থা রাখতে হবে । এফিলিয়েট মার্কেটারদের জন্যে বিভিন্ন ধরণের উৎসাহমূলক বোনাস অফার রাখতে হবে । এর কারণে নতুন করে ক্রেতাগোষ্ঠীর সৃষ্টি হবে । এতে করে একটি কোম্পানি হিসেবে একটি ই-কমার্স সাইট প্রতিষ্ঠানের সামনের দিকের পথ সুগম হবে ।

১৫। ভিডিও চ্যানেলঃ

ভিমিও , ইউটিউব এরকম বিভিন্ন ভিডিও বিষয়ক সাইটগুলোতে কোম্পানির নিজস্ব কিছু চ্যানেল খোলার ব্যবস্থা রাখতে হবে । সেই ভিডিও শেয়ারিং সাইটগুলো থেকে নিজস্ব ব্র্যান্ড কিংবা প্রতিষ্ঠান বিষয়ক বিভিন্ন প্রণোদনা কিংবা কোন বিশেষ অফার বিষয়ক কোন বিষয়ে ভিডিও তৈরি করে আপলোড করতে হবে । বিভিন্ন ছবি , কিংবা ভিডিও ফাইল থেকে সাইটের জন্যে প্রয়োজনীয় ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে । এর সাথে বিভিন্ন সামাজিক সাইটগুলোতে করতে হবে শেয়ারিং । এই ভিডিও চ্যানেলগুলোতে সবসময় কোম্পানির জিনিস নিয়ে ভিডিও শেয়ার হবে তা নয় বরং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় উঠে আসবে , এতে করে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ হবে । মানুষ ভিডিও চ্যানেল থেকে সাইটের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে ।

১৬। গেস্ট কিংবা ইউজার রিভিউঃ

গেস্ট কিংবা ইউজার রিভিউ ই-কমার্স সাইটগুলোর জন্যে খুব গুরুত্ব বহন করে । বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ক্রেতা বিভিন্ন রকম প্রোডাক্ট কিনে থাকে ই-কমার্স সাইট থেকে । ক্রেতার ভালো লাগা- মন্দ লাগা বিষয়গুলো পরবর্তী ক্রেতাদের কাছে অনেক অর্থবহ । একজন ক্রেতা যদি কোন প্রোডাক্ট ব্যবহার করে ভালো সার্ভিস পায় এবং সেই রিভিউ যদি ই-কমার্স সাইটটি কিংবা এর ব্লগে নিজের ভালো অনুভূতি প্রকাশ করে তবে এই বিষয়টি সমগ্র নতুন ক্রেতাদের মধ্যে আস্থার অবস্থান তৈরি করে । মানুষ বিভিন্ন ক্রেতার দেয়া বিভিন্ন প্রোডাক্ট নিয়ে রিভিউ থেকে এই ব্যাপারে নির্ভর করতে শুরু করে যে এই কোম্পানি থেকে প্রোডাক্ট কিনলে সেই প্রোডাক্ট ভালো সার্ভিস দিবে । শুধু প্রোডাক্ট ভালো সার্ভিস দিলে হবেনা , কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধিদের সুন্দর ব্যবহার , কোম্পানি থেকে বিভিন্ন প্রমোশন , মাঝে মাঝে কিছু উপহার প্রিমিয়াম গ্রাহকদের কাছে এই বিষয়গুলো সমগ্র বিষয়ের ওপর একটা প্রভাব রাখবে । আর তার শেষ গন্তব্য হবে ইউজার রিভিউ । এই রিভিউ গুগল থেকে মানুষ জেনে এর সহযোগী ব্লগ কিংবা অন্য সাইট থেকে কিংবা ই-কমার্স সাইট থেকে প্রোডাক্ট এর প্রতি কোম্পানির প্রতি আস্থা পোষণ করবে । তাই এই বিষয়গুলোও অবধারিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করতে সক্ষম ।

১৭ । ব্লগিং ও ফোরাম প্ল্যাটফরমঃ

সাইটের নিজস্ব একটা ব্লগিং প্ল্যাটফরম রাখতে হবে । সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সাথে সেই ব্লগিং প্ল্যাটফরমের লিংক বিল্ডআপ রাখতে হবে । প্রোডাক্ট রিলিটেড পোস্ট অর্থাৎ প্রোডাক্ট রিভিউ , প্রোডাক্ট সম্পর্কে ক্রেতাকে ধারণা দেয়াসহ শুরু করে বিভিন্ন দরকারি ও ইন্টারেস্টিং তথ্য , বিভিন্ন তথ্যমূলক সেবা , জানা –অজানা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে নিজস্ব ব্লগিং প্ল্যাটফরমে লিখে সামাজিক বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করতে হবে । গেস্ট ব্লগাররের ব্যবস্থা রাখতে হবে , বিভিন্ন ব্লগার ব্লগে লিখবে এবং নিজেদের বিভিন্ন মতামত দিবে । বিভিন্ন ফোরামে সাইট নিয়ে ও সাইটের প্রোডাক্ট নিয়ে লিখতে হবে। বিভিন্ন ফোরামে কমেন্ট করে প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে মানুষকে জানাতে হবে । সাইটের নিজস্ব রিভিউ সিস্টেম রাখতে হবে । যাতে করে ক্রেতা প্রোডাক্ট কিনে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে নিজস্ব মতামত কিংবা প্রোডাক্ট সম্পর্কে নিজের রিভিউ দিতে পারে । এ রিভিউ কিংবা ব্লগের মন্তব্য সবই মূল ই-কমার্স সাইটটির পরিচিতি ও র‍্যাংকিংয়ে অবস্থানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে । বিভিন্ন ফোরাম কিংবা ব্লগ থেকেও সাইটের জন্যে ব্যাকলিংকের ব্যবস্থা করা যেতে পারে ।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম এর নাম নিচে দেয়া হল –

Search Engine Watch Forum
Mysql Forum
Affiliate Marketing Forum
Siteowners Forum
V7nForum
১৮ । কনটেন্ট এভারঃ

কনটেন্ট প্রতিটি সাইটের জন্যে সবসময় বিশেষ কিছু । খুব পরিপাটি-গোছানো , সুন্দর , নির্ভুল , প্রাঞ্জল-সহজবোধগম্য লেখা মানুষের কাছে খুব আরামদায়ক পড়ার জন্যে । একটি লেখা কতটা প্রোডাক্ট এর সাথে সম্পর্কিত সেই বিষয়টা খুব ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে । অপ্রয়োজনীয় লেখা না রাখাই একটি সমগ্র কনটেন্ট এর সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দিক । প্রোডাক্ট যদি হয় পারফিউম তবে সেই বিষয় নিয়ে সুন্দর উপস্থাপনা রাখতে হবে । প্রোডাক্টটি কোথাকার ,কিসের তৈরি , কেমন, রঙ , মানুষ কিরকম মনে করে এই প্রোডাক্ট এর ব্যাপারে সবকিছু বিষয় লেখায় উঠে আসলে চমৎকার হয় । এই প্রোডাক্ট এর সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয় তুলে ধরতে হবে লেখায় মুগ্ধতা সৃষ্টি করে । কোন কথা যেন অতিরিক্ত মনে না হয় , অপ্রয়োজনীয় না হয় সেইভাবে লেখাকে তুলে আনতে হবে ও উপস্থাপন করতে হবে সাইট ভিজিটর কিংবা ক্রেতার কাছে । লেখা সাবলীল হতে হবে, একটি লেখা কয়েকবার সম্পাদনার টেবিলে নিয়ে কাঁটাছেড়া করতে হবে এবং এরপরেই কনটেন্ট মানুষের কাছে উপস্থাপিত হবে । ব্যাকলিংক ,কিওয়ার্ড রিসার্চ সাথে চমৎকার কনটেন্ট উপস্থাপন হচ্ছে মূল বিষয় । সবশেষে বলতে হয় “Content ever” , কনটেন্ট সবসময়ের ।

একটা সুন্দর এসইও প্ল্যান সমগ্র সাইটের জন্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম । মানুষের কাছে পৌঁছানো , সাইটের অবস্থান সুদৃঢ় করা এর সব দিকগুলোই এর দ্বারা সম্ভব এবং বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন ।

ওয়েবসাইট গুগল র‌্যাংকিং করানোর জন্য ৩০টি বিষয়

গুগল সার্চ ইঞ্জিন জগতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে । কোন বিষয়কে সার্চ করলে একটি ওয়েবসাইটকে প্রথমে কেন দেখায় ?? গুগল র‌্যাংকিং এর জন্য কি কি বিষয়ের উপর গুরুত্ব প্রদান করে ? সঠিক অ্যালগারিদম কি ?? গুগলের সঠিক অ্যাললগারিদম গোপনীয় হলেও , এসইও বিশেষজ্ঞদের গবেষনায় কোন ওয়েবপেইজের র‌্যাংকিং এর গুগলর বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে। জানুন গুগল র‌্যাংকিং এর ৩০ টি বিষয় । এসইও বিভিন্ন টুলস ব্যবহার করে খুব সহজেই এই আপনার ওয়েবসাইট র‌্যাংকিং এ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন ।

অনপেইজ এসইও গুগল র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর

আপনার ওয়েবপেইজের গঠন এসইও বা সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংকিং এর জন্য গুরত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে। অনপেইজের যেসকল বিষয় সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংকিং এর জন্য গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে তার বিশদ বিবরণ নিচে দেওয়া হল

টাইটেলে কি-ওয়ার্ডের ব্যবহার

মেটা টাইটাটেল সার্চ ইঞ্জিনের জন্য গুরত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে । কোন ওয়েবপেইজে কি বিষয়বস্তু নিয়ে গঠিত তা টাইটেল দেখে বুঝা যায়। সার্চ ইঞ্জিনসমুহ তাদের সার্চ রেজাল্টে প্রধান টাইটেল হিসাবে মেটাটাইটেল কে দেখোয় । টাইটেলে কি ওয়ার্ড যুক্ত করলে সার্চ ইঞ্জিনসমুহ তা গুরত্ব প্রদান করে। চেষ্টা করুন কি-ওয়ার্ড টাইটেলের প্রথমে ব্যবহার করার জন্য । যেসকল সাইটে কি-ওয়ার্ড মাঝখানে বা শেষে রাখে তাদের তুলানায় যে সকল সাইট কিওয়ার্ডকে প্রথমে রেখেছে তারা তুলানামুলক এগিয়ে থাকে ।

মেটা ডিস্ক্রিপশনে কি-ওয়ার্ডের ব্যবহার

বর্তমানে এসইও স্পেশালিষ্টরা মেটা ডিস্ক্রিপশনকে গুরত্বপ্রদান করেন । ব্যবহারকারীর প্রথম ধারণা তৈরীতে মেটা ডিস্ক্রিপশন গুরত্বপুর্ণ। সার্চ ইঞ্জিনসমুহ মেটা ডিস্ক্রিপশনকে গুরত্বপ্রদান করে । ব্যাবহারকারী এবং সার্চ ইঞ্জিনের জন্য মেটা ডিস্ক্রিপশেন কিওয়ার্ড সংযুক্তি ব্যবহারকারীকে সাইটে প্রবেশের জন্য অনুপ্রাণিত করে।

H1 ট্যাগে কি-ওযার্ডের ব্যবহার

মেটা টাইটেল এবং মেটা ডিস্ক্রিপশনের মত h1 ট্যাগে কি-ওয়ার্ডের ব্যবহার অত্যন্ত গুরত্বপুর্ণ।

পেইজের মুল প্রবন্ধে কি-ওযার্ডের ব্যবহার

এক সময় যা ব্লাক হ্যাট এসইও করতেন তা সম্পুর্ণ সাইট কিওযার্ড দিয়ে ভর্তি করে রাখতেন। এখন সেই বিষয়গুলো গুগলে অবৈধ। কিন্তু কন্টেন্টে কি-ওয়ার্ডের ব্যবহার সার্চ ইঞ্জিনকে প্রবন্ধটি কতটুকু প্রাসঙ্গিক তা নির্দেশ করে।

প্রবন্ধের দৈর্ঘ্য
বর্তমানে যারা অনলাইনে খোজ করেন তা শুধু মৌলিক বিষয়গুলো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকেন না । তারা অনলাইনে খোজ করেন কোন কিছু শিখার জন্য । গুগলও তথ্য সমৃদ্ধ মৌলিক বিষয়যুক্ত সাইটকে র‌্যাংকিং এ প্রথমে দেখায়। এটি সাধারণ বুদ্ধিমত্তার একটি বিষয় কন্টেন্ট বড় হলে আপনি সেই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার সুযোগ পাবেন। তাই কন্টেন্টে সবসময় তথ্য সমৃদ্ধ এবং উপকারী বিষয় অন্তর্ভুক্ত করুন ।
নকল লেখা
সবসময় সবগুলো বিষয় র‌্যাংকিং এর জন্য গুরুত্বপুর্ণ হিসাবে বিবেচিত হয় না । একই লেখা বিভিন্ন সাইটে থাকলে আপনার সাইটে র‌্যাংকিং এ উন্নতির পরিবর্তে অবনতি হতে পারে। তাই চেষ্টা করুন সবসময় নতুন এবং উপকারী কিছু লিখতে ।
ক্যানোনিক্যাল ট্যাগ
অনেক সময় একই সাইটে দুটি ইউআরএল এ একই ধরনের লেখা থাকতে পারে । যেমন আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেসের শর্ট ইউআরএর অন করে রাখেন তাহলে দেখা যাবে একই পেইচ কিন্তু ইউআরএল ২টি। এই ধরনের ক্ষেত্র ক্যানোলিক্যাল ট্যাগ ব্যবহার করুন । গুগল তখন দুটি ইউআরএল কে একই চিন্তা করে নেই।
ছবির অপটিমাইজেশন
গুগলের অ্যালগারিদম অনুসারে কন্টেন্ট আপডেটকে গুগল সবসময়ই পছন্দ করে। এর মানে এই নয় যে আপনি সবসময় আপনার পেইজকে এডিট করবেন । যেমন বানিজ্যিক পেইজের ক্ষেত্রে পণ্যের বর্ণনা গুগলের অ্যালগারিদম অনুসারে সময়ের সাথে পরিবর্তন যোগ্য নয় যতটা পরিবর্তন যোগ্য ব্লগের ব্লগ পোষ্টগুলো। নিদির্ষ্ট সময় যেমন বছরে ১ বার হলেও কন্টেন্ট আপডেট করুন ।
আউটবাউন্ড লিংক
বিশ্বস্ত ওয়েবপেইজের সাথে লিংক করলে গুগল সেই ওয়েবসাইটটিকেও বিশ্বস্ততার চোখে দেখে । খুব সহজভঅবে চিন্তা করুন, আপনি কেন আপনার সাইট থেকে একজন ব্যবহারকারীকে অন্যের সাইটে পাঠাবেন ?? অবশ্যই আরও বিস্তারিত জানার জন্য। গুগলের কাছে এই বিষয়টি বিশ্বস্ততার প্রতীক। তাই বলে অনেক বেশী আউটবাউন্ড লিংক আপনার সাইটের পেইজ র‌্যাংককে কমিয়ে দিবে । আউটবাউন্ড লিংক ব্যবহার করুন তবে সতর্কতার সাথে ।
ইন্টারলিংকিং
আপনার সাইটের বিভিন্ন পেইজের মধ্যে ইন্টারলিংকিং পেইজুগুলোর শক্তিমত্তা আরও বাড়িয়ে দিবে ।
ইউআরএল এ কি-ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত থাকা
ইউআরএর এ কি-ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত থাকলে গুগলের কাছে আপনার সাইটটি হয়ে উঠবে আরও বেশী প্রাসঙ্গিক ।ইউআরএল একাধিক শব্দের হলে মাইনাস সিম্বল দিয়ে ব্যবহার করুন । যেমন .com/আপনার-কি-ওযার্ড-ব্যবহার করুন ।
সাইটের সাথেযুক্ত বিষয়
সার্চ ইঞ্জিন সাইটের নিদির্ষ্ট কিছু বিষয়কে র‌্যাংকিং এর জন্য গুরত্বপ্রদান করে।
সাইটম্যাপ
সাইটম্যাপ সার্চ ইঞ্জিনে সবগুলো পেইজ যুক্ত করতে সহায়তা করে। এটি খুবই সাধারণ কিন্তু সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি যা গুগলকে নির্দেশ করে কোন ওয়েবসাইটে কোন কোন পেইজ অন্তর্ভুক্ত আছে ।
ডোমেইনের বিশ্বস্ততা
গুগল তার বিশ্বস্তসাইটগুলোকে র‌্যাংকিং এ এগিয়ে রাখে । কিন্ত কিভাবে এই বিশ্বস্ততা অর্জন করবেন ?? গুগলের কাছে বিশ্বস্ততা তৈরী করার সম্পুর্ণ লিষ্ট ব্যাকলিংকো ওয়েবসাইটে ব্রাইন প্রকাশ করেছেন। (লিংক)। তাই যতবেশী বিশ্বস্ততা অর্জন করবেন আপনার সাইট গুগলে ততবেশী এগিয়ে থাকবে ।
সার্ভারের অবস্থান
বিভিন্ন এসইও স্পেশালিষ্ট মত প্রকাশ করেন সাইটের সার্ভারের অবস্থান নিদির্ষ্ট এলাকায়/দেশে সাইট র‌্যাংকিংকে এগিয়ে রাখে ।
মোবাইল বান্ধব সাইট

মাত্র ১ বছর আগেও ৪৬% ব্যবহারকারী মোবাইলের মাধ্যমে সাইট খোজ করতেন । বর্তমানে এই পরিসংখ্যান আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। মোবাইল বান্ধবসাইট গুগল র‌্যাংকিং এ গুরক্ব রাখে।

ওয়েবসাইট গুগল র‌্যাংকিং করানোর জন্য ৩০টি বিষয় নতুনদের জন্য

অফ পেইজ এসইও র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর

কোন সাইটকে র‌্যাংকিং এ দেখানোর জন্য গুগল অনপেইজ , সাইট ফ্যাক্টর ছাড়াও বাহ্যিক বিষয়ও গুগলের কাছে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখে । নিচে কিছু বিষয় উল্লেখ করা হল।

লিংককৃত ডোমেইনের সংখ্যা

র‌্যাংকিং এর জন্য আপনার সাইটের সাথে কত সংখ্যাক ডোমেইন যুক্ত আছে তা গুরুত্বপুর্ণ।

লিংককৃত পেইজের সংখ্যা

শুধু ডোমেইন নয় , আপনার কোন কত সংথ্যক পেইজকে লিংকিং করেছে তাও গুরত্বপুর্ণ বিষয়।

লিংককৃত পেইজের পেইজর‌্যাংক

সবগুলো পেইজ একই নয়। উচ্চ পেইজর‌্যাংকযুক্ত (pr) পেইজের সাথে লিংকযুক্ত পেইজ নিম্ন পেইজর‌্যাংকযুক্ত লিংকযুক্ত পেইজের তুলানায় এগিয়ে থাকে।

প্রাসঙ্গিক লিংক
প্রাসঙ্গিক পেইজের সাথে লিংক যুক্ত সাইটে গুগল র‌্যাংকিং এ এগিয়ে থাকে বলে অনেক এসইও স্পেশালিষ্টরা বিশ্বাস করেন।
লিংকিং ডোমেইনের বিশ্বস্ততা

উচ্চ পেইজর‌্যাংক যুক্ত সাইটের মত গুগলের কাছে বিশ্বস্ত ডোমেইনের সাথে লিংকিং সাইটকে এগিয়ে রাখে ।

হোমপেইজের লিংক

বিভিন্ন এসইও বিশেষজ্ঞদের মতে হোম পেইজের যুক্ত লিংক অন্যপেইজের পেইজেযুক্ত লিংকের তুলানায় অধিক ফলপ্রসু।

ডু-ফলো এবং নো-ফলো লিংক

গুগলের অফিসিয়াল মন্তব্য অনুসারে গুগল নো ফলো (rel=no-follow) লিংককে তাদের গনণা বহির্ভুত করেছে (সুত্র)। তাই ডু-ফলো লিংক সাইটের র‌্যাংকিং এ গুরত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখে ।

লিংকের বৈচিত্রতা

একই ধরনের অ্যাংকরযুক্ত লিংক স্প্যাম হিসাবে বিবেচিত হয় এবং র‌্যাংকিং এ ঋনাত্নক প্রভাব ফেলে। তাই চেষ্টা করুন লিংকে বৈচিত্রতা আনতে।

কন্টেন্টে লিংক

বলা হয়ে থাকে পেইজের কন্টেন্টের মধ্যে ব্যবহৃত লিংক সাইডবারে ব্যবহৃত লিংকের তুলানায় অনেক গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে ।

লিংকিং এ ব্যবহৃত শব্দ

লিংকিং এ ব্যবহৃত শব্দ র‌্যাংকিং এ গুরুত্ব বহন করে।

ডোমেইন ফ্যাক্টর

আপনার ডোমেইন ও গুগল র‌্যাংকিং এ গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে। ডোমেইনের যেসকল বিষয় সাইট র‌্যাংকিং এ ভুমিকা পালন করে তা আলোচনা করা হল ।

ডোমেইনের বয়স

গুগল ১ বছরের উপর মেয়াদী ডোমেইনগুলোকে তার চেয়ে কম বয়সী ডোমেইনের তুলানায় বিশ্বস্ত মনে করে ।

ডোমেইনের ইতিহাস

আপনি যদি পুরাতন কোন ডোমেইন ক্রয় করেন এবং সেই ডোমেইনটি যদি গুগলের কাছে আগে ঋনাত্নক হয়েই থাকে তবে তা আপনার র‌্যাংকিং এ প্রভাব ফেলবে ।

নিদিষ্ট টিএলডি এক্সটেনশন
আপনি যদি লোকাল মার্কেটকে টার্গেট করেন এবং আপনার ডোমেইন যদি নিদির্ষ্ট দেশের টিএলডি থাকে যেমন .co.uk বা .com.bd ইত্যাদি থাকে তবে তা নিদির্ষ্ট দেশের জন্য র‌্যাংকিং এ গুরুত্ব বহন করে । আপনি যদি লোকাল মার্কেটকে টার্গেট করেন এবং আপনার ডোমেইন যদি নিদির্ষ্ট দেশের টিএলডি থাকে যেমন .co.uk বা .com.bd ইত্যাদি থাকে তবে তা নিদির্ষ্ট দেশের জন্য র‌্যাংকিং এ গুরুত্ব বহন করে ।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর – Google 200 Ranking Factors in Bangla

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর সমূহের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা

আপনি সম্ভবত ইতিমধ্যে জানেন যে গুগল তাদের ব্যবহৃত আলগোরিদমে প্রায় ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু সেগুলো আসলে কি? যাই হোক, আজ আপনাদের সামনে সেই সকল বিষয়গুলোর একটি পূর্ণাজ্ঞ তালিকা পেশ করছি। এদের মধ্যে কিছু অলরেডি প্রমাণিত আর কিছু এখনো বিতর্কিত। বাকিগুলো এসইও  বিষয়বস্তু সম্পর্কিত । আপনাদের সুবিধার্থে সবগুলোই উপস্থাপন করা হলো:

এক নজরে বিস্তারিত:

  • 1 ডোমেইন সম্পর্কিত বিষয়সমূহ
  • 2 পেজ লেভেল ফ্যাক্টরসমূহ
  • 3 Site-Level Factors
  • 4 Backlink Factors
  • 5 User Interaction
  • 6 Special Algorithm Rules
  • 7 Social Signals
  • 8 Brand Signals
  • 9 On-Site WebSpam Factors
  • 10 Off Page Webspam Factors

ডোমেইন সম্পর্কিত বিষয়সমূহ

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

 ডোমেইন এর বয়স: এই ভিডিওতে ম্যাট সেগুলো বর্ণনা করেছেন।

“একটি ছয় মাস বয়সের ডোমেইন আর একটি এক বছর বয়সী ডোমেইন এর মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই”

এককথায় বলতে গেলে, তারা ডোমেইন এর বয়স নিয়ে চিন্তা করলেও এটা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়।

  টপ লেভেল ডোমেইন এর মধ্যে কিওয়ার্ড থাকা: এটা আপনার সাইটকে খুব বেশি প্রমোট করতে সাহায্য করবেনা, কিন্তু ডোমেইন এর মধ্যে কিওয়ার্ড থাকাটা আপনার সাইটের পরিচয় বহন করতে সাহায্য করে। সর্বোপরি, তারা এখনো ডোমেইন এর মধ্যে থাকা কিওয়ার্ডটিকে বোল্ড করে প্রদর্শন করে।

 ডোমেইনের প্রথম শব্দটি কীওয়ার্ড হিসেবে থাকা: যে ডোমেইন এর শুরুটা টার্গেট কীওয়ার্ড দিয়ে হয় তা সেই সাইটের জন্য খুবই গুরুত্ব বহন করে যা অন্যান্য ডোমেইন এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়  যেমন: কোনো ডোমেইনে কীওয়ার্ড থাকেনা আবার থাকলেও তা মাঝখানে বা শেষের দিকে থাকে।

  ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর মেয়াদগুগলের একটি পেটেন্টে বলা হয় যে,

“মূল্যবান (বৈধ) ডোমেইনের মূল্য কয়েক বছরের জন্য আগাম পরিশোধিত থাকে, যেখানে দূর্বল (অবৈধ) ডোমাইনসমূহ এক বছরের বেশি খুবই কম ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সুতরাং, ডোমাইনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার তারিখটি ডোমেইনের বৈধতা অনুমানের জন্য একটি গুরুত্তপূর্ন ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হয়।”

 সাবডোমাইনের মধ্যে কীওয়ার্ড: Moz এর 2011 প্যানেল একমত যে, সাবডোমাইনের মধ্যে কীওয়ার্ড থাকলে তা র‌্যাঙ্কিং এর উন্নতিসাধন করে:

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

 ডোমেইনের ইতিহাস: যে সাইটের মালিকানা এক বা একাধিকবার পরিবর্তন হয়েছে (whois এর মাধ্যমে) তার ইতিহাস গুগল রিসেট করতে পারে এবং ওই ডোমেইনের পূর্ববর্তী লিংকসমূহও  গুগল অস্বীকার করতে পারে।

 সঠিক মিলকৃত ডোমেইন: বা সঠিক মিলকৃত ডোমেইন আপনাকে কিছু বাড়তি সুবিধা প্রদান করবে (মানসম্মত সাইটের জন্য)। কিন্তু লো কোয়ালিটি সাইটের জন্য তা প্রযোজ্য নয়।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

 পাবলিক বনাম প্রাইভেট: প্রাইভেট (ব্যাক্তিগত) whois বলতে বোঝায় “কোনোকিছু আড়াল করা”। পাবকন ২০০৬ এ ম্যাট কাট নিম্নোক্ত উদ্ধৃতি দিয়েছিলেন:

“… যখন আমি whois এর মাধ্যমে ওগুলোকে চেক করছিলাম, তখন তা “whois প্রাইভেসি প্রটেকশন সার্ভিস” দ্বারা আবৃত ছিল। যা কাম্য ছিলোনা। …. whois প্রাইভেসি সার্ভিস চালু থাকা খারাপ কিছু নয়, কিন্তু যখন আপনি এইরকম অনেকগুলো ফ্যাক্টরের ভিন্নতা পাবেন তখন আপনি বিভিন্ন ওয়েবমাস্টার সম্পকে চিন্তা করবেন।”

 দণ্ডপ্রাপ্ত WhoIs মালিক: যদি গুগল কোন ব্যাক্তিকে একজন স্প্যাম্মার হিসেবে চিহ্নিত করে, তখন ঐ ব্যাক্তির অন্যান্ন সাইটগুলোও খুঁটিয়ে দেখা হয়ে থাকে।

১০ কান্ট্রি টিএলডি এক্সটেনশন: কান্ট্রি কোড টপ লেভেল ডোমেইন থাকলে তা ঐ দেশে র‌্যাঙ্ক করতে সাহায্য করে…কিন্তু গ্লোবালি র‌্যাঙ্ক করার জন্য তা খুবই সীমিত।

 

পেজ লেভেল ফ্যাক্টরসমূহ

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১১ টাইটেল ট্যাগের মধ্যে কীওয়ার্ড: টাইটেল ট্যাগ হলো ওয়েবপেজ কনটেন্ট এর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (পেজ কনটেন্ট এর পাশাপাশি), যা শক্তিশালী অন-পেজ এসইও সিগন্যাল পাঠায়।

১২ কিওয়ার্ড দিয়ে শুরু টাইটেল ট্যাগmoz এর ডাটা অনুযায়ী, যে টাইটেল ট্যাগ টা শুরু হয় কি-ওয়ার্ড দিয়ে, সেটা টাইটেল ট্যাগ এর শেষের দিকে থাকা কি-ওয়ার্ডের  থেকে ভাল পারফর্ম করে।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৩ বর্ণনা ট্যাগে কিওয়ার্ড থাকাঃ এটা আরেকটি প্রাসঙ্গিকতা সংকেত। এটা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নাহলেও, এটা পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৪  H1 ট্যাগে কিওয়ার্ডঃ H1 ট্যাগ “দ্বিতীয় টাইটেল ট্যাগ” হিসেবেই গুগোলকে সংকেত পাঠায়।  এই কো-রিলেশন এর ফলাফলটাঃ

১৫ কিওয়ার্ডডকুমেন্টে ব্যবহারিত সমার্থক শব্দঃ  একই রকমের কি-ওয়ার্ড থাকা টা একটা প্রাসঙ্গিকতার সংকেত।

১৬ বিষয়বস্তুর দৈর্ঘ্যঃ অনেক শব্দের বিষয়বস্তু অনেকটা জায়গা দখল করে কিন্তু ছোট খাট দীর্ঘের লেখা পাঠককে আকৃষ্ট করে। SERPIQ খুজে পেয়েছে content length correlated with SERP position:

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৭ কিওয়ার্ডের পরিমানঃ এটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যে কি-ওয়ার্ড একবারই ব্যবহার করা, গুগোল সাধারনত কি- ওয়ার্ডের ঘনত্তের উপর বিচার করে আপনার ওয়েব পেইজের বিষয়বস্তুর ধারনা করে। কিন্তু অতিরিক্ত আপনাকে আবার কষ্টও দিতে পারে।

১৮ বিসয়বস্তুতে Latent Semantic Indexing(LSI) কিওয়ার্ড থাকাঃ LSI কি-ওয়ার্ড একই জাতীয় অনেক শব্দের ভিতর থেকে কাঙ্ক্ষিত শব্দ তি বেছে নিতে সার্চ ইঞ্জিন কে সাহায্য করে। LSI এর থাকা বা না থাকা টা বিষয়বস্তুর কোয়ালিটি নির্ধারণ করে।

১৯ টাইটেল অথবা বর্ণনা ট্যাগে LSI কিওয়ার্ড থাকাঃ ওয়েব পেইজের বিষয়বস্তুতে, LSI কি-ওয়ার্ড মেটা ট্যাগে থাকা টা হয়ত গুগোল কে সমার্থক শব্দ গুলকে বুঝতে সাহায্য করে।

২০ HTML এর মাধ্যমে পেইজ লোডিং এর গতিঃ  Google এবং Bing  উভয়ই page loading এর গতি কে  পেইজের ranking factor হিসেবে ব্যবহার করে। সার্চ ইঞ্জিনের spider পেইজের কোড এবং ফাইলের সাইজ এর উপর ভিত্তি করে পেইজ লোডিং এর গতিকে সূক্ষ্মভাবে কিন্তু সঠিকভাবে কমিয়ে দেয়।

২১ নকল বিসয়বস্তুঃ একই সাইটে একই রকম বিষয়বস্তু (এমনকি সামান্য পরিবর্তিত) নেতিবাচকভাবে একটি সাইট এর সার্চ ইঞ্জিন প্রভাবিত করতে পারে

২২ Rel = Canonical: যখন সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়, এই ট্যাগটির ব্যবহার পৃষ্ঠাগুলির বিষয়বস্তুকে নকল বিবেচনা করা থেকে Google বাধা দিতে পারে।

২৩ Chrome এর মাধ্যমে পেজের লোডিং স্পীডঃ এছাড়াও গুগোল Chrome ব্যবহারকারী ডেটাকে, ওই অ্যাকাউন্টের সার্ভার পেইজের লোডিং টাইমকে কিভাবে হ্যান্ডল  করে, CDN এর ব্যবহার এবং অন্যান্য non HTM সংক্রান্ত সাইটের গতি সম্পর্কে জানতে ব্যবহার করে ।

২৪. Image Optimization: পেইজের image এর file name, alt text, title, বর্ণনা এবং caption এর সাথে সার্চ ইঞ্জিনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।

২৫ বিষয়বস্তু আপডেটের আধুনিকতাঃ  Google Caffeine আপডেট অনেকটা সাম্প্রতিক বিষয়বস্তুকে আপডেট করাকে বোঝায় বিশেষকরে সময়-সাপেক্ষ সার্চ গুলোর। এই factor তাকে গুরুত্ব দিয়েই, গুগোল ওই পেইজের শেষ আপডেট এর তারিখটাকে দেখায়।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

২৬ বিষয়বস্তু আপডেটের মাত্রাঃ সম্পাদনাগুলি ও পরিবর্তনের তাৎপর্য একটি সতেজ বিষয়। কিছু add করা বা সমস্ত বিষয়টাকে সরানো, কিছু ওয়ার্ড সরানোর থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

২৭ ঐতিহাসিক আপডেটের সাথে পেইজের আপডেটঃ কত সময় পর পর একটা পেইজের আপডেট করা হয়? প্রতিদিন, সাপ্তাহিক, প্রতি পাঁচ বছর পর পর? পেইজ আপডেটের  পরিমান পেইজটাকে সতেজ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

২৮কিওয়ার্ড সুপ্রত্যহ্মতাঃ বিষয়বস্তুর প্রথম ১০০ ওয়ার্ডের ভিতর কি-ওয়ার্ড থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ  প্রাসঙ্গিক সংকেত।

২৯ H2, H3 ট্যাগে কিওয়ার্ড থাকাঃ আপনার কীওয়ার্ড subheading এ যেমন  H2 অথবা H3 ফর্ম্যাট হিসাবে প্রদর্শিত হলে সেটি একটি দুর্বল প্রাসঙ্গিকতা সংকেত হতে পারে। Moz’s panel স্বীকার করেঃ

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

৩০ কিওয়ার্ডের order: searcher কাছে একটি পেইজের বিষয়বস্তু এর একটি  শব্দের একটি সঠিক মিল সাধারণত একটি ভিন্ন অনুক্রমে একইজাতীয় প্রায় সমান অর্থের  শব্দের চেয়ে বেশী ভালো রেটিং দেয়। উদাহরন স্বরূপ, “cat shaving techniques” সার্চ করতে চাই, সেখানে  একটা পেইজের optimaized কৃত “techniques for shaving a cat” এর থেকে অন্যএকটা পেইজের optimaized কৃত “cat shaving techniques” ভাল রাঙ্কিং দেয়। কেন  keyword research খুব গুরুত্বপূর্ণ এটা তার একটা ভাল উদাহারন ।

৩১Outbound Link Quality:  অনেক SEOs মনে করে যে, কর্তৃপক্ষ সাইটগুলির আউট লিঙ্ক Google- এ আস্থার সংকেত পাঠাতে সাহায্য করে।
৩২Outbound Link Theme: Moz এর মতে, সার্চ ইঞ্জিন গুলো হয়ত আপনি যে পেইজের বিষয়বস্তুর লিঙ্ক করিয়েছেন সেটা ব্যবহার করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ ধরুন আপনার একটা গাড়ি সন্মন্ধিয় পেইজ আছে এবং আপনি এটার সাথে মুভিয়ের পেইজ অ্যাড করেছেন, গুগোল এটাকে গাড়ির মুভি সন্মন্ধিয় পেইজ হিসাবে ধরে নিবে, automobile এর নয়।

৩৩  গ্রামার এবং বানানঃ যথাযথ ব্যাকরণ ও বানান, গুনগতমানের সংকেত দেয়। যদিও ২০১১ সালে এটা গুরুত্বপূর্ণ কি না সেটার উপর একটা Cutts একটা মেসেজ দেন।

৩৪ সিন্ডিকেটেড বিসয়বস্তুঃ পেইজের বিষয়বস্তুটা আসল কি? এটা যদি কোন   indexed page থেকে কপি বা সামান্য পরিবর্তন করে নেওয়া হয় এটা ভাল রাঙ্ক নিয়ে আসে না যেমন টা আসল পেইজ বা তার শেষের  Supplemental Index এর।

৩৫ সহায়ক সম্পূরক বিষয়বস্তুঃ একটি সর্বজনীন Google রেট প্রদানকারী নির্দেশিকা ডকুমেন্ট অনুযায়ী, সহায়ক সম্পূরক কন্টেন্ট একটি পৃষ্ঠার মানের একটি সূচক (এবং, গুগল র্যাঙ্কিং)। উদাহরণ মুদ্রা পরিবর্তক, ঋণের সুদ ক্যালকুলেটর এবং ইন্টারেক্টিভ রেসিপি অন্তর্ভুক্ত।

৩৬Outbound Links এর সংখ্যাঃ অনেকগুলি Dofollow OBLs  “leak” PageRank হয়তো পেইজ এর রাঙ্কিং কে আঘাত করতে পারে।

৩৭ Multimedia: ছবি, ভিডিও বা অন্যান্য  Multimedia উপকরন হয়ত পেইজ এর কোয়ালিটির সংকেত দেয়।

৩৮। Internal Links গুলোর পয়েন্ট করার সংখাঃ একটি পেইজের Internal Links এর সংখ্যা ওই সাইটের সাথে পেইজের সম্পর্ক নির্দেশ করে।

৩৯ Internal Links গুলোর গুনগত মানঃ ডোমেইন এর authoritative pages এর Internal links, পেইজের রাঙ্ক ভাল থাকুক বা না থাকুক  একটা শক্তিশালী প্রভাব ফেলে

৪০। Broken Links: কোনো পৃষ্ঠায় অনেকগুলি Broken Links থাকলে সেটি একটি অবহেলিত বা পরিত্যক্ত সাইটের একটি লক্ষণ হতে পারে। গুগল রেট প্রদানকারী নির্দেশিকা ডকুমেন্ট Broken Links ব্যবহার করে হোমপেজে এর মানের মূল্যায়ণ করত।

৪১। Reading Level: কোন সন্দেহ নেই যে গুগল ওয়েবপেজের Reading Levelকে আনুমানিক হিসেব নেই। বস্তুত, Google আপনাকে Reading Level স্তরীয় পরিসংখ্যান দিতে চাইঃ

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

কিন্তু তারা সেই তথ্য নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করে। কেউ কেউ বলে যে মৌলিক পঠন স্তর ভাল স্থান নির্ধারণ করতে সহায়তা করবে কারণ এটাতে জনসাধারনের আপীল করা হবে। কিন্তু অনেকে বিষয়বস্তুর Reading level কে Ezine Articles এর মত সাপোর্ট করে।

৪২। Affiliate Links:  Affiliate লিংক আপনার পেইজ রাঙ্কিং এ সাধারনত কোন বাধার সৃষ্টি করে না। কিন্তু যদি সেটার সংখ্যা বেশি হয় তো আপনার সাইট টা কোন “thin affiliate site” কিনা সেটার উপর  গুগোল নজর দেই।

৪৩  HTML এর ভুল বা W3C এর বৈধতাঃ এইচটিএমএল এর প্রচুর ভুল বা পঙ্কিল কোডিং নিম্ন মানের সাইটের একটি লক্ষণ হতে পারে। যদিও বিতর্কিত এসইওবিদদের অনেকে মনে করেন যে WC3 বৈধতা একটি দুর্বল মানের সংকেত।

৪৪ পেইজের Host’s Domain Authority: সব কিছুই সমান তবে, একটি কম authoritative ডোমেইন এর থেকে একটি authoritative ডোমেইন ভাল রাঙ্ক করবে।

৪৫। পেইজের পেইজ রাঙ্কঃ পুরোপুরি সম্পর্কিত নয় তবে সাধারণভাবে উচ্চ পেইজ রাঙ্ক পৃষ্ঠাগুলি কম পেইজ র‌্যাঙ্কবিশিষ্ট পৃষ্ঠাগুলি থেকে ভালো রেঙ্ক এর হয়।

৪৬ URL এর দৈর্ঘ্যঃ  Search Engine Journal এটা বলে যে খুব বড়  URLs  আপনার search visibility কে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

৪৭ URL এর পথঃ Homepage এর কাছাকাছি কোন পেইজ authoity থেকে সামান্য boost পেতে পারেন।

৪৮  সম্পাদকঃ যদিও এটা সুনিশ্চিত নই, তবুও গুগোল একটা patent তৈরি করেছে যেটা সম্পাদকদের কে  SERPs তে উৎসাহিত করে।

৪৯ পেইজের প্রকারভেদঃ  পেইজে প্রকারভেদ দেখতে পাওয়া একটা প্রাসঙ্গিক সংকেত।  একটা পেইজের বিভিন্ন বিভাগ গুলো যেখানে ঘনিষ্ঠ ভাবে সম্পর্ক যুক্ত থাকে সেটা সম্পর্কমুক্ত পেইজের থেকে বেশি boost পাই।

৫০ WordPress ট্যাগ্সঃ ওয়ার্ডপ্রেস-নির্দিষ্ট তাগস এর সাথে প্রাসঙ্গিকতা সংকেত আছে। Yoast.com মতে:

“ আপনার SEO কে উন্নত করার একমাত্র উপায় হচ্ছে, একটা কন্টেন্ট এর সাথে আর একটা কন্টেন্ট এর সম্পর্ক স্থাপন,  এবং একটার সাথে অন্যটার group post.”

৫১ URL  কিওয়ার্ডঃ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক সম্পর্কের সংকেত।

৫২ URL String: URL String এর catagories সম্পর্কে গুগোল পড়ে। এবং একটা পেইজ টা কোন বিষয়ে তার উপর একটা গঠন মুলক সংকেত পাঠায়।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

৫৩। References এবং উৎসঃ References এবং উৎস যেমন রিসার্চ papers, হয়তবা কোয়ালিটির প্রমান হতে পারে। গুগলের গাইডলাইন বলে যে, যখন একটি পেইজ খোঁজা হবে তার review গুলো চোখের সামনে রাখা উচিত।  “এটি একটি বিষয় যেখানে দক্ষতা এবং / অথবা প্রামাণিক উৎস গুরুত্বপূর্ণ হয় …”।  কিন্তু গুগোল এটা অস্বীকার করেছে যে তারা external links কে ranking signal হিসাবে দেখে না।

৫৪। বুলেট এবং নাম্বার লিস্টঃবুলেট লিস্ট নাম্বার লিস্ট  পাঠক কে একটা ব্রেক দেয় যেটা পাঠক কে আর ও user friendly করে তোলে। গুগোল ও এটা কে মেনে নিয়েছে এবং স্বীকার করেছে।

৫৫। পেইজের sitemap এর প্রাধন্যঃএকটা সাইটের প্রাধন্য দেওয়া হয় sitemap.xml এর উপরে ভিত্তি করে যেটা রাঙ্কিং কে প্রভাবিত করে।

৫৬। অতিমাত্রায় Outbound Links: aforementioned Quality rater document থেকে সরাসরিঃ

“কিছু পেইজের অনেক পথ আছে, লিঙ্কের অনেক পথ  আছে, পৃষ্ঠা অস্পষ্ট এবং প্রধান বিষয়বস্তু থেকে বিক্ষেপী”

৫৭। পেইজ রাঙ্কের জন্য অন্যান্য কি-ওয়ার্ডের পরিমানঃযদি পেইজ রাঙ্কের জন্য অন্যান্য কি ওয়ার্ডের ব্যাবহার করা হয় তবে গুগোল এটিকে পেইজের কোয়ালিটির internal sign  হিসাবে মনে করে।

৫৮। পেইজের বয়সঃযদিও গুগোল নতুন কন্টেন্ট কে প্রাধন্য দেই তবুও একটা পুরাতন পেইজ, যেটা নতুন নতুন কন্টেন্ট আপডেট করে সেটা নতুন পেইজের মতই পারফর্ম করে।

৫৯।  User Friendly Layout:এই পর্যন্ত পাওয়া গুগলের কোয়ালিটি ডকুমেন্টের থেকেঃ

“উচ্চতর কোয়ালিটির Page layout তাদের প্রধান কন্টেন্টকে তৎক্ষণাৎ সাদৃশ্য করে।”

৬০। Parked ডোমেইনঃ২০১১ এর একটাগুগোল আপডেটেবলা হয় গুগোল Parked  ডোমেইনের search visibility  কমিয়ে দেই।

৬১। দরকারি কন্টেন্টঃ Backlinko reader Jared Carrizalesএর মতে গুগোল দরকারি এবং কোয়ালিটির কন্টেন্ট কে বেশি গ্রহন করে।

 

Site-Level Factors

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

৬২। মান এবং স্বতন্ত্র অন্তর্দৃষ্টযেটা বিষয়বস্তু প্রদান করেঃগুগোল ঐসব সাইট গুলোকে খোঁজা শুরু করে দিয়েছেযারা নতুন কিছু বা প্রয়োজনীয় কিছু আনে না বিশেষত্ব affiliate sites গুলো।

৬৩। contract us page: forementioned Google Quality Document এটা বলে যে পরিমিত পরিমান contract information যুক্ত সাইট গুলো চাই। ধরুন এটা একটা বোনাস যদি আপনার  contact information আপনার whois info এর সাথে মিলে যায়।

৬৪। ডোমেইনের  Trust/TrustRank: site trust পরিমাপ করা হয়, আপনার পেইজের কত গুলো লিংক উচ্চ রাঙ্ক এর পেইজে নিয়ে যায় তার উপর ভিত্তি করে। এটা পেইজ রাঙ্ক এর পরিমাপ করতেও ব্যাবহার করা হয়। আপনিএখানেএটা সম্পর্কে বিস্তারিত জানবেন।

৬৫।  Site Architecture:একটা well put-together site architecture (বিশেষত্ব একঘেয়ামি গঠনের) আপনার কন্টেন্টকে thematically সাজাতে  গুগোলকে সাহায্য করে।

৬৬। Site Updates: যখন কোন সাইট কে আপডেট করা হয়, বিশেষত্ব সাইতে নতুন কন্টেন্ট অ্যাড করা হয় সেটা একটা বড় ধরনের freshness factor হিসেবে কাজ করে।

৬৭। পেইজের সংখাঃএকটা পেইজের সংখ্যা এটার authority এর একটা দুর্বল দিক কে নির্দেশ করে। কিন্তু শেষ মেশ একটা বড় পেইজ, ছোট affiliate sites থেকে নিজেদেরকে আলাদা করতে সাহায্য করে।

৬৮। sitemap এর উপস্থিতিঃএকটা sitemap সার্চ ইঞ্জিনের index কে আপনার পেইজ কে সহজে খুজে পেতে সাহায্য করে।

৬৯।  Site Uptime : maintenance  অথবা server issues এর জন্য অধিক downtime লাগা  আপনার পেইজ রাঙ্কের ক্ষতি করতে পারে। (এবং যদি এটা সঠিক না হয় তো deindexing হতে পারে)

৭০। Server Location: Server Location বিভিন্ন geographical regions জায়গায় আপনার পেইজের রাঙ্ক এর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। geo-specific searches এর জন্য বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

৭১।SSL Certificate:গুগোল এটা নিশ্চিত যে তাদের index SSL certificates এবং তারা যে HTTPS ব্যাবহার করে, রাঙ্ক এর জন্য সেটি একটি সংকেত।

৭২।Terms of Service এবং Privacy Pages:  এই দুটো পেইজ গুগোলকে এটা বলতে সাহায্য করে যে তারা ইন্টারনেট এ trustworthy  গ্রাহক।

৭৩।  Duplicate Meta Information On-Site:আপনার পেইজে থাকা  Duplicate Meta Information আপনার পেইজের visibility কে সবার শেষে নামিয়ে আনে।

৭৪।Breadcrumb Navigation:এটা একটা user-friendly site-architecture স্টাইল যেটা বেবহারকারিদের এবং সার্চ ইঞ্জিনকে তারা একটা সাইটের কোথায় থাকে সেটা জানতে সাহায্য করে।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

SearchEngineJournal.com এবং Ethical SEO Consulting উভয়ই বলেছে যে এটা একটা রাঙ্ক ফ্যাক্টর।
৭৫।  Mobile Optimized:গুগল মোবাইলের উপযোগী  সাইট বানানোর জন্য অফিসিয়ালি বলে থাকে।  মোবাইলে সার্চ করলেএটা দেখতে ওই সাইটের মতই। তারা সাধারনত  মোবাইলে ভাল দেখার জন্য“ Mobile friendly” tags ব্যাবহার করে।    গুগোল penalizing site গুলো শুরু করে দিয়েছে যেটা mobile friendly না।

৭৬। YouTube:এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নাই যে YouTube videos, SERPs তে পক্ষপাত মুলক আচারন করে।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

যদিও সার্চ ইঞ্জিন এটা পেয়েছে যে YouTube.com এর  traffic Google Panda এর পর থেকে অনেকটা কমে গেছে।

৭৭।Site Usability:যে পেইজ গুলো ব্যাবহার করতে সমস্যা হয়, কম সময় থাকার জন্য সেটার রাঙ্কিং এ সমস্যা হয়, পেইজ এর view কমে যাওয়া এবং রেটিং bounce খায়। বিপুল পরিমানের বেবহারকারির ডাটা পাওয়া টা স্বাভাবিকভাবেই algorithmic factor হিসাবেই কাজ করে।

৭৮। Google Analytics and Google Webmaster Tools এর ব্যাবহারঃঅনেকেই মনে করেন যে এই দুটো programs আপনার সাইটে installed থাকা আপনার পেইজের indexing কে উন্নত করে। এবং অনেক ডাটার সাথে কাজ করার সময় এই দুটো আপনার পেইজ রাঙ্কিং এ ও প্রভাবিত করে।

৭৯। User reviews/Site reputation: Yelp.com এবং RipOffReport.com সাইট গুলোর মত একটা সাইটে review থাকা টা এলগরিদমে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

Backlink Factors

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

৮০। ডোমেইনের বয়সকে Linking  করাঃ  Backlinks যুক্ত পুরাতন ডোমেইন, নতুন ডোমেইনের থেকে শক্তিশালী।

৮১।  # of Linking Root Domains: referring domain এর সংখ্যা পেইজ রাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে গুগোলের এলগোরিদমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।  Moz  এর ডাটা থেকে আপনি সেটা দেখতে পারবেনঃ

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

৮২।  # of Links from Separate C-Class IPs: Separate C-Class IPs এর থেকে পাওয়া লিংক গুলো suggest করে কত বড় সাইট গুলো আপনার সাথে জড়িত।

৮৩। # of Linking Pages:সামগ্রিক কতটি পেইজ যুক্ত -যদি সেটি একই ডোমেনের হয় তবুও সেটি একটা রাঙ্কিং ফ্যাক্টর।

৮৪।  Alt Tag (for Image Links): image এর  Alt Text হল version of anchor text।

৮৫। .edu or .gov Domains এর লিংক গুলোঃ Matt Cutts শুরু করেন যে TLD  একটা সাইটের গুরুত্তের দ্বারা কোন ফ্যাক্টর তৈরি করে না। যদিও সেটি SEO দের কে TLDs তে .gov  এবং .edu এর জায়গা সম্পর্কে ভাবা বন্ধ করেন নি।

৮৬। Authority of Linking Page:রাঙ্কিং ফ্যাক্টরে referring page এর পেইজ রাঙ্ক একটা এখুব ই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

৮৭। Authority of Linking Domain: referring domain এর authority লিঙ্কের গুরুত্ব তে একটা স্বাধীন ভুমিকা পালন করে।

৮৮।Links From Competitors:পেইজ রাঙ্ক এর জন্যএকটা নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ডের জন্য একই SERP এর অন্য এজতা পেইজ থেকে নেওয়া লিংক খুবি মূল্যবান।

৮৯। Social Shares of Referring Page:একটা পেইজ লেভেলের  social shares  এর পরিমান লিংকের মূল্য কে প্রভাবিত করে।

৯০। Links from Bad Neighborhoods: বাজে প্রতিবেশীর কাছ থেকে নেওয়া লিংক আপনার পেইজের সমস্যার কারন হতে পারে।

৯১। Guest Posts:  ব্যাবহারকারিদের করা পোস্ট white hat SEO campaign এর একটা অংস হতে পারে, ব্যাবহারকারিদের পোস্টে যে লিংক গুলো তাদের  bio area থেকে আসে হয়তো একই পেইজের contextual link এর মত ততো টা মূল্যবান না।

৯২। Links to Homepage Domain that Page Sits On: evaluating a site’ এর ক্ষেত্রে  referring page এর Homepage এর লিংক একটা  special গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

৯৩। Nofollow Links:এটা SEOতে সবথেকে বিতর্কিত  বিষয় গুলোর একটি। এই ব্যাপারে Google’s official word হল,

“সাধারনত আমরা তাদেরকে অনুসরন করি না।”

৯৪।Diversity of Link Types:একটি উৎস থেকে আসা ইচ্ছাকৃত ভাবে বিপুল সংখ্যার লিংক গুলো সাধারনত webspam এর একটা লক্ষন। অন্যদিকে বিভিন্ন উৎস থেকে নেওয়া লিংক গুলো স্বাভাবিক profile এর লক্ষন।

৯৫।“Sponsored Links” Or Other Words Around Link:  বিভিন্ন শব্দ যেমন sponsors, link partners এবং sponsored links হয়তো আপনার লিংকের মূল্য কমিয়ে দেয়।

৯৬।  Contextual Links:পেইজের কন্টেন্টের  ভিতর লিংক থাকা টা একটা খালি পেইজে থাকা লিংক বা পেইজের কোথাও পাওয়া লিংক এর থেকে বেশি শক্তিশালী।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

guestographics থেকে backlinks  নেওয়া টা contextual links এর একটা ভাল উদাহরণ।

৯৭। Excessive 301 Redirects to Page:Webmaster Help Video এর ভিডিও মতে, 301 redirects থেকে আসা লিংক গুলো পেইজ রাঙ্ক কমিয়ে দেয়।

৯৮।   Backlink Anchor Text: গুগলের  original algorithm এবর্ণিত

“প্রথমে প্রায়ই পৃষ্ঠাগুলি নিজেদের চেয়ে ওয়েব পৃষ্ঠাগুলির আরো সঠিক বর্ণনা প্রদান করে।”

৯৯। Internal Link Anchor Text: Internal Link Anchor Text আরও একটি প্রাসঙ্গিক সংকেত।যদিও সম্ভবত backlink anchor text চেয়ে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত।

১০০।  Link Title Attribution:লিঙ্কে টাইটেল থাকা টা একটা দুর্বল প্রাসঙ্গিক সংকেত পাঠায়।

১০১।  Country TLD of Referring Domain: .de, .cn, .co.uk এইসব উচ্চ লেভেলের দেশ থেকে নেওয়ালিংক গুলো আপনাকে ভাল রাঙ্ক পেতে সাহায্য করে ।

১০২। কন্টেন্টে লিংকের অবস্থানঃ লিংকের শেষে থাকা লিংকের থেকে কন্টেন্টের প্রথমে থাকা লিঙ্কে থাকা বেশি গুরুত্ব বহন করে।

১০৩।  Link Location on Page: পেইজের কোথায় লিংক দেখা যাচ্ছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ। পেইজের footer অথবা sidebar area তে থাকা লিংক গুলোর থেকে পেইজের কন্টেন্টে থাকা লিংক বেশি শক্তিশালী।

১০৪। Linking Domain Relevancy:একই niche  থেকে নেওয়া লিংক গুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন সাইট থেকে নেওয়া লিংক গুলোর থেকে বেশি শক্তিশালী। এজন্যই কোন effective SEO strategy  সাধারণতrelevant links এর উপর বেশি নজর দেয়।

১০৫। Page Level Relevancy:  The Hilltop Algorithm  এটা বর্ণনা করে যে unrelated page এর লিংকের থেকে কন্টেন্টের সাথে শক্ত অবস্থানে থাকা পেইজের লিংক বেশি শক্তিশালী।

১০৬। Text Around Link Sentiment:গুগোল এটা অবশ্যই খুজে বের করে যে আপনার সাইট টি recommendation  এর জন্য অথবা negative review এর একটা অংশ। তাদের চারপাশে ইতিবাচক অনুভূতিতে সঙ্গে লিংক সম্ভবত বেশি ওজন বহন করে।

১০৭। Keyword in Title: কি-ওয়ার্ড টাইটেলে থাকা সাইট টা কে গুগোল একটু আলাদা  ভালবাসা দেয়।

১০৮। Positive লিঙ্কসের ঘনত্ব: একটা সাইট এর positive লিঙ্কসের ঘনত্ব সাধারনত SERP boost পায়।

১০৯। Negative লিঙ্কসের ঘনত্বঃ Negative লিঙ্কসের ঘনত্ব একটা সাইটের popularity কমিয়ে দেবার সাথে সাথে page ranking ও কমিয়ে দেয়।

১১০। Links from “Hub” Pages:Aaron Wall  এটার প্রতিবাদ জানান যে  একটা নির্দিষ্ট বিসয়ের top resources  এর কোন পেইজ থেকে লিংক নেওয়ার জন্য স্পেশাল আচারন করে।

১১১। Link from Authority Sites: একটা ছোট microniche site এর থেকে একটা authority site এর থেকে নেওয়া লিংক অনেক ভাল।

১১২। Linked to as Wikipedia Source:একটা লিংকের nofollow এর থেকে ,Wikipedia এর মত সাইট গুলো থেকে নেওয়া লিংক গুলো সার্চ ইঞ্জিন এর চখে বিশ্বস্ততা অর্জন করে।

১১৩। Co-Occurrences:আপনার backlinks এ এই শব্দটির দেখতে পাওয়া টা পেইজ টি কি সম্পর্কে সেটা গুগোল কে জানায়

১১৪। Backlink এর বয়সঃGoogle একটা patentএর মতে minted backlinks এর থেকে পুরাতন backlinks এর ranking power অনেক ভাল।

১১৫। Links from Real Sites vs. Splogs: ব্লগ নেটওয়ার্ক বিস্তার কারনে, গুগল সম্ভবত ভুয়া ব্লগ থেকে  “বাস্তব সাইটগুলিতে” থেকে আসা লিঙ্ক কে  বেশি গুরুত্ব দেয়। তারা সম্ভবত ব্র্যান্ড এবং ব্যবহারকারী-মিথষ্ক্রিয়া সিগন্যাল কে ব্যবহার দুজনের মধ্যে পার্থক্য করতে।

১১৬। Natural Link Profile: “সাধারন” লিংক প্রোফাইলের একটা সাইট রেঞ্জে উপরে থাকে।

১১৭।  Reciprocal Links:Google এর লিংক স্কিমপেইজের তালিকা একটি লিঙ্ক স্কিম এড়াতে হিসাবে “অত্যধিক লিংক বিনিময়” করে।

১১৮। User Generated Content Links:গুগল বনাম প্রকৃত সাইটের মালিক ইউজিসি থেকে উৎপন্ন সংযোগগুলি চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়। উদাহরণস্বরূপ, তারা জানে যে en.blog.wordpress.com এ অফিসিয়াল WordPress.com ব্লগ থেকে একটি লিঙ্ক besttoasterreviews.wordpress.com থেকে একটি লিঙ্ক চেয়ে খুব আলাদা।

১১৯। Links from 301: 301 পুনঃনির্দেশ লিঙ্ক একটি সরাসরি লিঙ্ক তুলনায় একটি সামান্য বিট হারাতে পারেন। যাইহোক, ম্যাট Cutts বলছেন যে একটি 301 আরএকটি সরাসরি লিঙ্ক একই।

১২০।  Schema.org Microformats:যে পাতাগুলি মাইক্রোবিন্যাসের সমর্থন করে সমর্থন ছাড়া পেইজ গুলোর থেকে উপরে অবস্থান করতে পারে। এটা  হতে পারে যে microformatting মাধ্যমে পেইজ গুলি একটি উচ্চ SERP CTRকে  সরাসরি বুস্ট  দিতে পারে:

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১২১। DMOZ Listed:অনেকে বিশ্বাস করেন গুগল dmoz তালিকাভুক্ত সাইট গুলোকে একটু অতিরিক্ত আস্থা দেয়।

১২২। TrustRank of Linking Site:সাইট লিঙ্ক এর বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ধারণ করে আপনার  “TrustRank” আপনার পাওয়া উচিত।

১২৩। Number of Outbound Links on Page: PageRank সসীম হয়। পেইজের একটা লিংক যেটা ১০০ টা OBLs পাস করেছে , আর যেটা অল্প সংখ্যক পাস করেছে তার থেকে পেজ রেঙ্কে কম।

১২৪। Forum Profile Links:  শিল্প-স্তরের স্প্যামিং কারণে Google উল্লেখযোগ্যভাবে ফোরাম প্রোফাইলগুলি থেকে লিঙ্কএর  মূল্য কমিয়ে  পারে।

১২৫। Linking Content এর শব্দ গননা:একটি 1000 শব্দ পোস্ট থেকে একটি লিঙ্ক 25 শব্দ snippet এর একটি লিঙ্ক বেশি মূল্যবান।

১২৬।  Linking Content এর কোয়ালিটি:দুর্বল লিখিত বা কর্তিত সামগ্রী থেকে লিংক ভালো করে লেখা, মাল্টিমিডিয়া উন্নত সামগ্রী থেকে লিঙ্ক হিসাবে ততোটা ভাল না।

১২৭। Sitewide Links: Matt Cutts নিশ্চিত যে compressed করা sitewide লিংক গুলো একটি লিংক হিসাবেই বিবেচিত হয়।

 

User Interaction

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১২৮। Organic Click Through Rate for a Keyword:যে পাতাগুলি থেকে CTR এর আরও ক্লিক পাওয়া জেতে পারে সেই নির্দিষ্ট শব্দ জন্য একটি SERP বুস্ট পেতে পারেন

১২৯। Organic CTR for All Keywords: একটা পেইজের প্রধান CTR তার সমস্ত রাঙ্কের কি ওয়ার্ড মুলত মনুষ্য ঘটিত, ব্যাবহারকারিদের আকর্ষিত করতে।

১৩০। Bounce Rate: SEO বিদদের সবাই যে bounce rate  সম্পর্কে একমত টা নয়, কিন্তু এটা মানের পরীক্ষক হিসেবে তাদের ব্যবহারকারীদের ব্যবহারের জন্য Google একটি উপায় হতে পারে।

১৩১।Direct Traffic:এটা নিশ্চিত যে গুগল একটি সাইটে মানুষ যাচ্ছে কি না পরীক্ষা করতে গুগোল Chrome ব্যবহার কারিদের ডাটা কে ব্যাবহার করে। অল্প কিছু ট্রাফিক পাওয়া পেইজের চেয়ে অধিক traffic এর একটা সাইট উচ্চ কোয়ালিটির ।

১৩২। Repeat Traffic:তারা এটাও দেখে যে তারা ওই সাইটে আবার ফিরে আসছে কি না।সাইটের পুনরায় ব্যাবহার কারি দের জন্য সাইট টি গুগোল রাঙ্কিং এ Boost  পায়।

১৩৩। Blocked Sites:Google, Chrome এ এই ব্যাপারটি আর ব্যাবহার করে না। যাইহোক, পান্ডা একটি মান সংকেত হিসেবে এই বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করে।

১৩৪। Chrome Bookmarks:আমরা জানি Google Chrome ব্রাউজার ব্যাবহারকারিদের ব্যবহারের ডেটা সংগ্রহ করে। যে পেইজ গুলো Chrome এ বুকমার্ক থাকে সেগুলো boost  পেতে পারে।

১৩৫।  Google Toolbar Data:সার্চ ইঞ্জিন গুলো  Danny Goodwin এর মতে বলে গুগোল toolbar data  কে রাঙ্কিং এর সংকেত হিসেবে ব্যাবহার করে। যাইহোক, পেইজ লোড গতি এবং ম্যালওয়্যার ছাড়া কি ধরনের ডেটা তারা টুলবার থেকে সংগ্রহ তা জানা যায় না।

১৩৬।  Number of Comments:ব্যাবহার কারিদের অধিক Comments ব্যাবহারকারিদের আকর্ষিত করার একটা কোয়ালিটির সিগন্যাল হতে পারে।
১৩৭। Dwell Time:গুগোল Dwell Time এর উপর খুব গভীর মনোযোগ দেয়, গুগোল সার্চ এর পর তারা কতক্ষন আপনার পেইজে থাকছেন।  এটাকে কখনো কখনো long clicks vs short clicks” হিসাবেই ধরা হয়। আপনার পেইজে ব্যাবহারকারি কতক্ষন থাকছেন সেটা আপনার পেইজের কোয়ালিটির সিগন্যাল।

 

Special Algorithm Rules

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৩৮। Query Deserves Freshness:গুগল নতুন পেইজগুলিকে নির্দিষ্ট অনুসন্ধানের জন্য একটি boost দেয়।

১৩৯। Query Deserves Diversity:গুগোল হয়তো নির্দিষ্ট ambiguous keywordsএর জন্য SERP তে diversity  দেয়। যেমন, “Ted”, “WWF” or “ruby”।

১৪০।  User Browsing History:আপনি  যেসব সাইটে গুগোল log in এর মাধ্যমে ঘন ঘন visit করেন তখন সেগুলো আপনার সার্চে SERP bump পায়।

১৪১। User Search History: Search chain আপনার পরবর্তী search results কে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি “রিভিউ” এর জন্য অনুসন্ধান তারপর “টোস্টার” এর জন্য অনুসন্ধান, গুগল আরও toaster review সাইট উচ্চতর SERPs হিসাবে দেখায়।

১৪২। Geo Targeting:Google একটি স্থানীয় সার্ভার আইপি এবং দেশ-ভিত্তিক ডোমেইন নাম এক্সটেনশন সহ সাইটগুলিকে পক্ষপাত দেয়।

১৪৩।  Safe Search:বাজে কথা বা adult content  এর সার্চের ফলাফল Safe Search হিসাবে মানুষ কে দেখায় না।

১৪৪। Google+ Circles:গুগোল উচ্চতর ফলাফল কে দেখায় যখন আপনি আপনার Google Plus Circles এ কোন লেখক বা সাইট কে অ্যাড করেন।

১৪৫। DMCA Complaints: DMCA complaints এর পেইজ গুলোকে গুগোল নিন্ম রাঙ্ক দেয়।

১৪৬।Domain Diversity:তথাকথিত Bigfoot Update SERP  পেইজে আরও ডোমেইনকে অ্যাড করেছে।

১৪৭। Transactional Searches:Google কখনও কখনও শপিং-সম্পর্কিত কীওয়ার্ড জন্য ভিন্ন ফলাফল প্রদর্শন করা হয়, ফ্লাইট অনুসন্ধান মত।

১৪৮। Local Searches:গুগল প্রায়ই Google+ Local results  কে প্রকৃত SERPs এর উপরে স্থান দেয়।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৪৯। Google News Box: নির্দিষ্ট কিছু কীওয়ার্ডের আরম্ভ একটি Google সংবাদ বাক্স:

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৫০। Big Brand Preference: Vince Update, এর পর থেকে গুগল বড় ব্রান্ডের নির্দিষ্ট short-tail searches এর জন্য একটি সাহায্য দান শুরু করে।

১৫১। Shopping Results: Google কখনও কখনও প্রকৃত SERPs গুগল শপিং ফলাফল প্রদর্শন করে:

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৫২। ছবির ফলাফলঃ Google অনুসন্ধান সাধারণভাবে Google মৌলিক তালিকার চিত্র অনুসন্ধান ব্যবহার জন্য চিত্র অনুসন্ধানের ফলাফল ঘেটে দেখে।

১৫৩।  Easter Egg Results: Google এক ডজন বা বেশি ইস্টার এগ ফলাফল আছে।উদাহরণস্বরূপ, যখন আপনি “Atari -এ ব্রেকআউট” গুগল ইমেজ সার্চ এ জন্য অনুসন্ধান করেন , অনুসন্ধান ফলাফল একটি খেলার যোগ্য খেলা (!)বা এর জন্য ভিক্টর প্যান আউট এ পরিণত  হয়ে যায়।

১৫৪। Single Site Results for Brands: ডোমেন বা ব্র্যান্ড ভিত্তিক কীওয়ার্ড একই সাইট থেকে বিভিন্ন ফলাফল তুলে আনে।

Social Signals

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla
১৫৫। Tweets এর সংখাঃ লিংকের মতই একটা পেইজের Tweets গুগল রাঙ্কিং এ প্রভাব ফেলে

১৫৬। Authority of Twitter Users Accounts: tweet অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। নতুন এবং কম প্রভাবিত twitter accounts এর চেয়ে অনেক followers এর প্রফাইল থেকে পাওয়া tweet বেশি কার্যকর।

১৫৭। Facebook লাইকের সংখাঃ যদিও গুগল সব ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দেখতে পারে না , একটা পেইজ কত টা facebook likes পেল টা একটা রাঙ্কিং এর দুর্বল সংকেত।

১৫৮। Facebook Shares: Facebook shares যেটা অনেকটা backlink  এর মতই, Facebook likes এর থেকে বেশি প্রভাবিত করে।

১৫৯। Authority of Facebook User Accounts: Twitter এর মতই Facebook shares এবং  likes জনপ্রিয় Facebook pages থেকে আসলে সেটা একটু ভারি হয়।

১৬০। Pinterest Pins: Pinterest  public data এর সাথে একটি জনপ্রিয় social media। গুগোল Pinterest Pins কে social signal হিসাবে দেখে।

১৬১। Votes on Social Sharing Sitesএটা সম্ভব যে গুগোল  Reddit, Stumbleupon এবং Digg এর মত সাইট গুলোর শেয়ার ব্যাবহার কারে social signal হিসাবে।

১৬২। Number of Google+1’s: যদিও Matt Cutts  বলেন যে Google+ এর একটা পেইজের রাঙ্কিং এর উপর কোন প্রভাব নাই, তবুও এটা বিশ্বাস করা কঠিন যে গুগোল তাদের নিজেদের social network কে অবহেলা করে।

১৬৩। Authority of Google+ User Accounts :  এটা যৌক্তিক যে গুগোল তার গুগোল তার কম followers এর account থেকে  authoritative accounts দের কে বেশি প্রাধন্য দেয়।

১৬৪। Known Authorship:ফেব্রুয়ারী 2013 সালে গুগল CEO এরিক শ্মিট বিখ্যাত দাবি করা হয়েছে:

“  সার্চ  results এ verified online profiles টা verification

ছাড়াই কন্টেন্ট গুলো  থেকে স্বাভাবিক ভাবেই রাঙ্কিং এ উপরে থাকবেএবং সবাই সার্চ result এ উপরেই ক্লিক করে থাকে।

১৬৫। Social Signal Relevancy:  গুগল সম্ভবত অ্যাকাউন্ট থেকে প্রাসঙ্গিকতা তথ্য বিষয়বস্তু এবং লিঙ্ক পার্শ্ববর্তী টেক্সট ভাগ ব্যবহার করে।

১৬৬। Site Level Social Signals: Site-wide social signals আপনার authority কে বাড়িয়ে দেয়।  যেটা আপনার পেইজের কোন কিছুর সার্চ এর visibility বাড়িয়ে দেয়।

Brand Signals

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৬৭। Brand Name Anchor Text: Branded anchor text একটা উদাহরন হতে পারে – কিন্তু শক্তিশালী ।

১৬৮। Branded Searches:এটা সাধারন যে মানুষ ব্র্যান্ড গুলোকেই সার্চ দেয়। যদি মানুষ আপনার সাইট কে গুগলে সার্চ করে, গুগোল স্বাভাবিক ভাবেই একটা  ব্র্যান্ড কে তুলনা করে আপনাকে consideration করে।

১৬৯। Site Has Facebook Page and Likes:ব্র্যান্ড গুলো ফেসবুকের লাইকের দিকে ঝোঁকে।

১৭০।  Site has Twitter Profile with Followers: Twitter profiles এর প্রচুর followers, popular brand এর সংকেত দেয়।

১৭১। Official Linkedin Company Page:প্রায় সব প্রকৃত ব্যবসার একটা Linkedin pages থাকে।

১৭২।  Employees Listed at Linkedin:  Rand Fishkinমনে করেন যে আপনার company তে কাজ করে এমন Linkedin profiles থাকা টা ব্র্যান্ড কে প্রকাশ করে।

১৭৩।  Legitimacy of Social Media Accounts: 10,000 অনুসারীদের এবং 2 পোস্ট সঙ্গে একটি সামাজিক মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এর বেশি interpreted  হবার কারণকে ,  আরেকটি 10,000-অনুগামী শক্তিশালী অ্যাকাউন্ট চেয়ে অনেক ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা যায়।

১৭৪।  Brand Mentions on News Sites:  বড় ব্রান্ডের সব সময় Google সংবাদ সাইট উল্লেখ দেখায়। আসলে, কিছু ব্রান্ডের এমনকি প্রথম পৃষ্ঠায় তাদের নিজস্ব Google সংবাদ ফিড আছেঃ

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৭৫। Co-Citations: ব্র্যান্ড গুলো লিঙ্ক না নিয়েই উল্লেখ করে।  গুগল সম্ভবত non-hyperlinked ব্র্যান্ড কে, brand signal  হিসেবে উল্লেখ করতে পছন্দ করে।

১৭৬। RSS Subscribers এর সংখ্যা:গুগোল যে the popular Feedburner RSS service এর অধিকর্তা সেটা বিবেচনা করে, এটা মনে করা হয় যে তারা RSS Subscriber এর data কে popularity/brand signal হিসেবে দেখে।

১৭৭। Brick and Mortar Location With Google+ Local Listing: প্রকৃত ব্যবসার একটা অফিস থাকে। এটা সম্ভব যে গুগোল সেটা বড় ব্র্যান্ড হোক বা না হোক তার location-data কে determine করে।

১৭৮। Tax Paying Business এর  Website: Moz বলেন যে হয়তো গুগোল ওয়েবসাইট টা ট্যাক্স প্রদান করে কি না সেটা খেয়াল করে।

On-Site WebSpam Factors

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৭৯। Panda Penalty: Panda penalty পাওয়ার পর নিম্ন মানের কন্টেন্ট যুক্ত সাইট টা কম visible  হয়।

১৮০।  Links to Bad Neighborhoods:বাজে প্রতিবেশির সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার ফলে যেমন like pharmacy or payday loan sites হয়তো আপনার সাইটের search visibility ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

১৮১।  Redirects: Sneaky redirects হল একটা  big no-no। যদি ধরা পরে তবে এটা সাইট কে  penalized করবে না,  de-indexed ও করতে পারে।

১৮২।  Popups or Distracting Ads: Google Rater Guidelines Document  এটা বলে যে Popups or Distracting Ads একটা সাইটের নিম্ন কোয়ালিটির লক্ষন।

১৮৩। Site Over-Optimization:এটা কিছু on-page factors এ Include থাকে যেমন keyword stuffing, header tag stuffing, excessive keyword decoration।

১৮৪। Page Over-Optimization:অনেক মানুষ ই বিশ্বাস করে যে  Panda — Penguin পেইজ গুলো individual page কে টার্গেট করে।

১৮৫। Ads Above the Fold: “Page Layout Algorithm”  , fold এর উপরের অনেক অ্যাড কে বন্ধ করে দেয়।

১৮৬। Hiding Affiliate Links: affiliate links (especially with cloaking) থেকে দূরে যাওয়া আপনার সাইট কে একটা পেনাল্টি দিতে পারে।

১৮৭। Affiliate Sites:গুগোল যে affiliates সাইট গুলোর ভক্ত নই এটা কোন গোপন বিষয় না। এবং অনেকে এটা মনে করে যে। যেসব সাইট গুলো affiliates লিঙ্ক গুলোকে monetize  করে সেসব পেইজ গুলো গুগলের কাছ থেকে এক্সট্রা সিকিউরিটি পায়।

১৮৮।  Autogenerated Content: গুগোল  Autogenerated Content গুলোকে যে খুব একটা পছন্দ করে তেমন নয়। যদি তারা সন্দেহ করে যে আপনার সাইট টি computer কে  Autogenerated content তৈরিতে pumping out  করছে এটার ফলাফল পেনাল্টি বা  de-indexing হতে পারে।

১৮৯। Excess PageRank Sculpting: PageRank sculpting এর সাথে অনেক দূরে যাওয়া, outbound links অথবা most internal links কে nofollow করা system এর খেলার একটা লক্ষন হতে পারে।

১৯০। IP Address Flagged as Spam:  যদি আপনার IP address spam এর জন্য  flagged হয়ে যায়, তবে এটি আপনার সাইটের সকল সার্ভার কে ক্ষতিগ্রস্ত করবে

১৯১।  Meta Tag Spamming: Keyword stuffing এর কারনে meta tags ঘটতে পারে। গুগোল যদি মনে করে যে আপনি Keyword অ্যাড করছেন এলগরিদম এর সাথে খেলা করার জন্য তাহলে আপনার সাইটে তারা একটি পেনাল্টি দিতে পারে।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

 

Off Page Webspam Factors

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৯২। Unnatural Influx of Links:  লিঙ্ক হটাত করে influx হউয়া টা নিশ্চিত  phony links এর fire sign।

১৯৩। Penguin Penalty:যে সাইট টা  Google Penguin এর পেনাল্টি পায় সেটা সার্চে কম দেখতে পাওয়া যায়।

১৯৪। Link Profile with High % of Low Quality Links: black hat SEOs অনেক মাধ্যম থেকে সাধারনত অনেক লিঙ্ক ব্যাবহার করে হয়তো বা এটা সিস্টেমের সাথে খেলা করার একটা লক্ষন হতে পারে।

১৯৫।  Linking Domain Relevancy: MicroSiteMasters.com এর একটা বিখ্যাত analysis  এ এটা পাওয়া যায় যে উচ্চ পরিমানের বাজে সাইট থেকে নেওওা লিঙ্কস গুলোর কারনে সাইট টি Penguin হতে সাহায্য করে।

গুগলের ২০০টি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর - Google 200 Ranking Factors in Bangla

১৯৬।  Unnatural Links Warning:গুগোল “Google Webmaster Tools notice of detected unnatural links” কে অনেক মেসেজ করে। এটা সাধারনত  ranking drop কে নির্দেশ করে। তবে সব সময় ১০০% নই

১৯৭।  Links from the Same Class C IP:  একই সার্ভার IP থেকে বিপুল পরিমান লিঙ্ক নেওয়া টা blog network link building এর একটা লক্ষন হতে পারে।

১৯৮। “Poison” Anchor Text: “Poison” Anchor Text থাকা টা আপনার সাইট টা spam অথবা একটা hacked site হাবার একটা লক্ষন। অন্নভাবে এটা আপনার সাইটের রাঙ্কিং কে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

১৯৯। Manual Penalty:গুগোল কে manual penalties এর জন্য ধরা হয়। যেমন well-publicized Interflora fiasco

২০০।  Selling Links:  Selling Links গুলো সাধারনত  toolbar PageRank এ প্রভাব ফেলে এবং আপনার সার্চ visibility কে বাধাগ্রস্ত করে।

২০১। Google Sandbox:নতুন সাইট গুলো জারা হটাত করেই লিঙ্কে influx  করে তাদেরকে  Google Sandbox এ রাখা হয়, যেটা আপনার সাময়িক search visibility কে সীমিত করে দেয়।

২০২। Google Dance: Google Dance আপনার রাঙ্কিং কে সাময়িকভাবে নড়িয়ে দিতে পারে। Google Patent এর মতে কোন সাইট এলগরিদমের সাথে খেলা করছে কিনা সেটা ধরতে এটা তাদের একটা ফাঁদ।

২০৩। Disavow Tool:  SEO এর negative victims  এর ক্ষেত্রে Disavow Tool ব্যবহার করে এলগরিদমের পেনাল্টি দূর করা যেতে পারে।

২০৪। Reconsideration Request:একটা সফল Reconsideration Request একটা পেনাল্টি কে সরাতে পারে।

২০৫। Temporary Link Schemes:গুগোল খুব তারাতারি মানুশের তৈরি spammy links গুলোকে সনাক্ত করে এবং মুছে ফেলে। এটা temporary link scheme হিসাবেও পরিচিত।

ক্লায়েন্টের নতুন সাইটের এসইও শুরু করবো কিভাবে? ( স্টেপ বাই স্টেপ )

ধরুন আপনি নতুন একটা প্রজেক্ট পেয়েছেন। এসইও প্রজেক্ট। যে ওয়েবসাইটের এসইও করতে হবে সেটাও নতুন।

 

একজন এসইও এক্সপার্ট হিসেবে আপনি কিভাবে কাজটি শুরু করবেন?

 

কোথা থেকে শুরু করবেন?

এইটা ফলো করুনঃ

 

১। প্রথমে আপনার ক্লাইয়েন্টের সাইটটা অডিট করেন। পুর্নাঙ্গ অডিট করবেন। মানে হচ্ছে, অনপেজ, ব্যাকলিঙ্কস (Anchor Text & Links Quality), কন্টেন্ট, টেকনিক্যাল ইস্যু, গুগল ইনডেক্সের কিছু পেইজ, সাইটের স্ত্রাকচার, মানে যা যা দেখা দরকার, সব কিছুর অডিট করবেন।

 

২। যেসব সমস্যা পাবেন সেগুলার লিস্ট করবেন।

 

৩। এই সমস্যা গুলোর সমাধান করবেন। মানে অন-পেইজ এবং ট্যাকনিক্যাল সব ধরনের সমস্যা প্রথমেই সমাধান করে ফেলবেন।

 

৪। র‍্যাঙ্কিং এর জন্যে লিঙ্কের প্রয়োজন। সুতরাং কোন কোন পেইজে লিঙ্ক করবেন এবং কোন কিওয়ার্ডে করবেন সেগুলার লিস্ট করবেন।

 

৫। সপ্তাহ এবং মাস অনুযায়ী লিঙ্ক বিল্ডিং এর একটা প্ল্যান করে ফেলবেন এবং সে অনুযায়ী আগাবেন।

 

৬। কম্পিটিটর সাইট দেখে আইডিয়া নিবেন আপনার ক্লাইএন্টের সাইটে কন্টেন্টে কোন ধরনের কমতি/ঘাটতি আছে কিনা। যদি থাকে তাহলে লিঙ্কের পাশাপাশি নতুন নতুন কন্টেন্ট দেয়ার পরিকল্পনা করবেন।

 

৭। অবশ্যই টার্গেট কিওয়ার্ড র‍্যাঙ্ক করছে কিনা সেটা ট্রাক রাখবেন। বিভিন্ন র‍্যাঙ্ক ট্র্যাকিং ফ্রি টুলস আছে যেমন SEOCentro, SmallSEOTools এইগুলা দিয়ে মাসে একবার দেখবেন র‍্যাঙ্কে কোন পরিবর্তন হয়েছে কি না। যদি হয় তাহলে সেটা ক্লাইয়েন্টকে জানিয়ে দিবেন।

 

এই প্রসেসটা ফলো করলেই ঠিক ঠাক সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা।

আর কোন সমস্যায় পরলে আমরা তো আছিই। 🙂

 

নোটঃ কাজ করতে করতে একসময় সবাই তার নিজের মতো করে প্ল্যান বানিয়ে নেয়। আপনিও একসময় একদম নিজস্ব একটা কৌশল বানিয়ে নিতে পারবেন যেটা ইউজ করবেন সব এসইও ক্লায়েন্টের সাথে। তার আগ পর্যন্ত উপরে  দেয়া প্রসেসটাই ফলো করতে থাকুন।

বিশ্বে আউটসোর্সিং তালিকায় তৃতীয় বাংলাদেশ

 

 

 

বর্তমানে বিশ্বে আউটসোর্সিং তালিকায় বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচ লাখ কাজ করেন মাসিক আয়ের ভিত্তিতে। বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮ এর দ্বিতীয় দিন শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের সেলিব্রিটি হলে ‘ফ্রিল্যান্সার কনফারেন্স’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

সেমিনারে ফ্রিল্যান্সিং খাতের বিভিন্ন অবস্থা তুলে ধরেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর। উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আরফান আলী, গুগল লোকাল গাইডস কমিউনিটি মডারেটর সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরিসহ বিভিন্ন খাতের ব্যক্তিরা।

সৈয়দ আলামাসকবীরবলেন, শুধু ফ্রিল্যান্সার হলেই শর্ত সাপেক্ষে বেসিস সদস্য হওয়া সম্ভব। মুনাফা অর্জিত হলেই তাকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিলে তা তথ্য প্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। সরকার স্টার্টআপদের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। ব্যাংকও এ খাতে কাজ করছে। অর্থাৎ, বাজার তৈরি আছে। বেসিস থেকে ফ্রিল্যান্সারদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী বলেন, ফ্রিল্যান্সারদের সুবিধা দিতে বেসিসের সঙ্গে মিলে স্বাধীন নামে প্রি পেইডকার্ড চালু করা হয়েছে। এ কার্ডের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা বিদেশ থেকে দেশে লেনদেন করতে পারবেন। আউটসোর্সিং এখন বাংলাদেশ তরুণদের কাছে দারুণ একটি ক্যারিয়ার হিসেবে গুরুত্ব পেয়েছে। দেশি তরুণেরা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নির্দিষ্ট কাজে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে যে কেউ ফ্রিল্যান্সার হতে পারে। তবে কাজে দক্ষ হয়ে তবে এ পেশায় আসা উচিত। দেশে বিল্যান্সার নামে একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট রয়েছে। এ ছাড়াও পেওনিয়ার ফ্রিল্যান্সারদের আন্তর্জাতিক অর্থ প্রাপ্তিতে দারুণ কাজ করছে। ফ্রিল্যান্সারদের উৎসাহ দিতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার।

নিজেই নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করে আয় করুন

নিজেকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চাইলে তৈরি করে ফেলুন নিজের একটি ওয়েবসাইট। আপনি নিজেই নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। সাইট তৈরির আগে ডোমেইন, হোস্টিং, ওয়েব সিকিউরিটি, এস.সি.ও ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। এখন ফ্রীতে ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করা যায়। নিচের এই টিপসগুলো অনুসরণ করলে আপনি নিজেই নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।

ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে সর্বপ্রথম একটি মেইল অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হবে। Blogger, WordPress, Jimdo, Weebly সহ বেশ কিছু সাইট রয়েছে যেখান থেকে ফ্রীতে আপনি আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। তবে Blogger এবং WordPress এ দুটি সাইট থেকে ওয়েবসাইট তৈরি করা ভালো।

world wide web

এ দুটি সাইট থেকে যেভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন সে সম্পর্কে আলোচনা করছি।

প্রথমে blogger থেকে ওয়েবসাইট তৈরির কৌশলগুলো বলছি। কম্পিউটার অথবা অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে যেকোনো একটি ব্রাউজার দিয়ে www.blogger.com এই ঠিকানায় যাবেন।

একটি পেজ আসবে। পেজের ঠিক মাঝখানে Creat Your Blog লেখাটিতে ক্লিক করবেন।

ক্লিক করার পর আরও একটি নতুন পেজ দেখতে পাবেন। নতুন পেজের উপরের দিকে Title লেখাটির পাশের খালি ঘরে আপনার ওয়েবসাইটের টাইটেল বসাতে হবে।

ধরুন, আপনি যে সাইটি তৈরি করবেন সেটি খেলাধুলা বিষয়ক হবে। তাহলে টাইটেল দিবেন Sports অথবা আপনার সাইটি হবে বিনোদনের তাহলে Entertainment লিখে দিতে পারেন।

ব্লগার; সূত্রঃ www.blogger.com

এবার Title এর ঠিক নিচে Address নামে আরও একটা খালি ঘর দেখতে পাবেন। সেখানে আপনার ব্লগের ঠিকানা বসাবেন। যেমন আপনি আপনার ব্লগটি www.youthcarnival.org এই নামে খুলবেন তাহলে খালি ঘরে youthcarnival লিখবেন। যদি এই নামে অন্য কোনো ব্লগ না থেকে থাকে তাহলে আপনার দেওয়া নামেই ব্লগটি তৈরি হয়ে যাবে। আর যদি একই নাম দিয়ে অন্য কেউ ইতোমধ্যে কোনো ব্লগ খুলে থাকে তাহলে আপনাকে ভিন্ন নাম নিবার্চন করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার দেয়া নামটি গৃহীত না হবে ততক্ষণ ভিন্ন ভিন্ন নাম দিয়ে চেষ্টা করতে হবে। যদি ডানপাশে টিক চিহ্ন দেখতে পান তাহলে বুঝবেন ব্লগটি প্রস্তুত!

এবার রিফ্রেশ দিয়ে আপনি আপনার ব্লগে প্রবেশ করুন। সাইটির হোম পেজের বাম দিকে কিছু মেনু  দেখতে পাবেন।যেমন- Posts, Eearning,Theam, Settings ইত্যাদি।

  • Post- এই অপশনে গিয়ে নতুন পোস্ট দেয়া যাবে ব্লগে।
  • Theam- এই অপশনটি থিম পরিবর্তন বা সেট করার জন্য।
  • Setings- এখানে ক্লিক করে আপনার ব্লগের সেটিংস পরিবর্তন/ পরিবর্ধন করতে পারবেন।

ওয়ার্ড প্রেস, সূত্র; www.wordpress.com

এবার WordPress থেকে কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন সে সম্পর্কে আলোকপাত করবো-

WordPress থেকে সাইট তৈরি অনেকটা Blogger থেকে সাইট তৈরি করার মতো। যে কোনো ব্রাউজার দিয়ে www.wordpress.com এই লিংক এ প্রবেশ করুন।

একটি পেজ আসবে। পেজে Get started লেখাটির উপর ক্লিক করবেন।

এবার পেজের একেবারে নিচে গিয়ে Get With Portfolio অপশনটি সিলেক্ট করুন। Theme অপশন থেকে তারপর আপনার পছন্দমতো যেকোনো থিম সিলেক্ট করে নিবেন। চাইলে সাইট তৈরি হয়ে যাওয়ার পরও থিম সিলেক্ট করতে পারবেন।

থিম নির্বাচন করার পর একটি নতুন পেজ দেখতে পাবেন।  নতুন পেজের উপরের দিকে অাপনার সাইটের ঠিকানা দেবার জন্য একটি খালি ঘর পাবেন। অাপনি যে নাম দিয়ে সাইট খুলতে চাচ্ছেন সে নামটি খালি ঘরে বসিয়ে দিবেন। নামটা অবশ্যই নতুন হতে হবে। খালি ঘরটির নিচেই Free লেখা একটি অপশন পাবেন। Free লেখাটির উপর ক্লিক করলে একটি নতুন পেজ অাসবে। এবার অাপনি অাপনার ইমেইল, ইউজার নেইম, পাসওয়ার্ড এবং ঠিকানা বসিয়ে নিন। Continue তে ক্লিক করুন। অাপনার সাইটটি তৈরি!

এবার অাপনার বানানো সাইটির বাম পাশে দেখুন My site নামে একটা অপশন রয়েছে সেখানে ক্লিক করুন। Site identity নামে আরও একটা পেজ আসবে। Site identity তে ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটটির টাইটেল বসিয়ে দিবেন। একই পেজের বাম পাশে Blog posts, media, page, Settings ইত্যাদি কিছু অপশন পাবেন। এই সবগুলো দিয়েই আপনি আপনার সাইটি সুন্দর করে সাজাতে পারবেন।

ওয়েবসাইট থেকে আয়

ব্লগ অথবা ওয়েবসাইট থেকে আয় করা যায়। সেক্ষেত্রে আপনাকে হতে হবে ওয়েব সম্পর্কে পারদর্শী। ওয়েবসাইট থেকে আয় করতে হলে পোর্টফওলিও তৈরি করতে হবে। ওয়েবসাইট থেকে আয় করার অনেক পদ্ধতি রয়েছে। তবে আয় করার প্রধান শর্ত হলো আপনার সাইটে নিয়মিত ভিজিটর থাকতে হবে। ওয়েবসাইট থেকে আয় করার পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো।

ইন্টারনেট থেকে অায়; সূত্রঃ www.internetincome.com

বিজ্ঞাপন প্রর্দশন করে

Adcash, Adsterra, Adsense ইত্যাদি নামে কিছু এড নেটওয়ার্ক রয়েছে। এ ধরনের এড নেটওয়ার্ক থেকে অ

নুমতি সাপেক্ষে তাদের বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে দেখিয়ে আয় করতে পারবেন। ওয়েব থেকে টাকা আয় করবার একটি অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে বিজ্ঞাপন।

গুগল এ্যাডসেন্স; marketingland.com

পণ্য বিক্রয়

ওয়েবসাইট থেকে যে পণ্য বিক্রি করে আয় করা যায় সেটা আপনি জানতে পারবেন রকমারি.কম, বিক্রয়.কম, চালডাল.কম এসব ওয়েবসাইট থেকে। ওয়েবে আপনার পণ্যের প্রচার করবেন। এতে আপনার পণ্য বিক্রি হবে এবং ভালো আয়ও হবে।

ইমেল অ্যাড্রেস সংগ্রহ

ইমেল অ্যাড্রেস সংগ্রহ করেও ওয়েবসাইট থেকে আয় করা যায়। কিছু কিছু সাইট আছে যেগুলো থেকে আমরা মুভি, গান, ইমেজ ইত্যাদি ডাউনলোড করি, তখন সেখানে মেইল অ্যাড্রেস চাওয়া হয়। ইমেইল চাওয়ার কারণ হল তারা ভিজিটরদের ইমেইল অ্যাড্রেস সংরক্ষণ করে থাকে। সংরক্ষণ করবার পর তারা ইমেইল ঠিকানা ইমেইল মার্কেটারদের কাছে বিক্রি করে টাকা আয় করে।

ওয়েবসাইট থেকে টাকা আয় করার আরও মাধ্যম রয়েছে। যা আপনি ওয়েবসাইট ব্যবহার করার পর ধীরে ধীরে জানতে পারবেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন SEO টিউটোরিয়াল

[পর্ব-০১] :: SEO কী? কেন ব্যবহার করা হয়?
[পর্ব-০২] :: (Keyword Research)
[পর্ব-০৩] :: (Keyword Research)
[পর্ব-০৪] :: Keyword Research
[পর্ব-০৫] :: Keyword Research – Google থেকে Manually ডাটা নিয়ে
[পর্ব-০৬] :: Keyword Research- প্রাপ্ত Data Excel এ Analysis ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ
[পর্ব-০৭] :: Site Architecture
[পর্ব-০৮] :: Keyword দিয়ে Website এর Navigation তৈরির কৌশল)
[পর্ব-০৯] :: SEO Friendly URL Structure
[পর্ব-১০] :: On page কিছু পরিচিত HTML Tag
[পর্ব-১১] :: HTML ট্যাগ অপটিমাইজেশন
[পর্ব-১২] :: HTML ট্যাগ অপটিমাইজেশন CONTINUED
[পর্ব-১৩] :: কার্যকারী Title Tag কিভাবে লিখবেন
[পর্ব-১৪] :: ভাল কন্টেন্ট কোনটাকে বলবেন
[পর্ব-১৫] :: আপনার ওয়েবসাইটের কোন পেজের SEO করবেন ও কেন
[পর্ব-২২] :: Backlink Management Strategy
[পর্ব-১৬] :: কিভাবে SEO অপটিমাইজড কন্টেন্ট লিখবেন
[পর্ব-১৭] :: Internal Optimization কিভাবে করবেন
[পর্ব-১৮] :: Off Page SEO এর বেসিক
[পর্ব-১৯] :: Off Page SEO ব্যাকলিঙ্ক ও Link Popularity
[পর্ব-২০] :: Google PR, Manage Backlinks and Paid Links
[পর্ব-২১] :: Make Link Worthy content ও know types of content
[পর্ব-২৩] :: Social Media, Social Media Marketing, Relation Between SMM and SEO
[পর্ব-২৪] :: কিভাবে SMM শুরু করবেন ও Social Media Presence বৃদ্ধি করবেন
[পর্ব-২৫] :: SMM ও Social Media Presence
[পর্ব-২৬] :: SMM ও Social Media Presence পর্ব ২
[পর্ব-২৭] :: সার্চ ইঞ্জিনে Ranking করাই কি আসল উদ্দেশ্য?
[পর্ব-২৮] :: Google Analytics
[পর্ব-২৯] :: Analytics এর Data Analyze করুন
[পর্ব-৩০] :: Analytics থেকে আপনার সাইটের Traffic Source সর্ম্পকে জানুন
[পর্ব-৩১] :: SEO এর সাথে UPDATE থাকলে চাইলে, এই Web Site গুলো Follow করুন

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন SEO এর টিউটোরিয়াল এর শেষ পর্ব এবং কিছু কথা

SEO Friendly URL Structure

SEO এর জন্য domain name খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সবচেয়ে ভাল হয় যদি আপনি exact match domain manage করতে পারেন। অর্থাৎ আপনার keyword ও আপনার domain name যদি একই হয় তাহলে আপনি সার্চ রেজাল্টএ অনেক বেশি preference পাবেন।

আপনার গুরুত্বপূর্ণ পেজএর লিঙ্ক গুলো seo friendly হলে ভাল হয়। নিচের url দুটা লক্ষ করুন:
www . mainkeyword . com/category-page-keyword
www . mainkeyword . com/p?452
প্রথম urlটাকে seo friendly url বলা হয়। কারন প্রথম লিঙ্কটা দেখে অনেক কিছু বোঝা যায় যেমন এই লিঙ্কএ কেমন ধরনের information থাকতে পারে।
কিন্তু লক্ষ করুন ২য় লিঙ্কটা দেখে এর ভিতর কোন ধরনের তথ্য আছে তা বোঝা যায় না।

Anchor text এর স্থানে প্রয়োজনীয় keyword ব্যবহার করা।

যদিও বর্তমানে এসইও এর ক্ষেত্রে keyword ব্যবহারের নিয়মনীতি অনেকাংশে পরিবর্তন হয়েছে। পরবর্তীতে এগুলো নিয়ে আলোচনা করব। তবে বর্তমানে গুগল আগে যেমন exact match domain কে preference দিত এখন আর ততটা priority দেয়না। এখন আপনার domain যদি exact match না হয় তাহলেও তেমন কোন সমস্যা নেই। তবে exact match হলে তো অবশ্যই ভাল। যদি আপনার সাইটে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকে, reasonable visitor থাকে, bounce rate কম হয় এবং আপনি যদি সঠিক নিয়মে এসইও করেন তবে আপনি আপনার সাইটকে ১ম পেজে আনতে সক্ষম হবেন। তবে যদি প্রতিযোগীতা বেশি থাকে, তাহলে হয়ত একটু সময় লাগতে পারে।
কিওয়ার্ড ব্যবহার করে গুগলে সার্চ করলে সার্চ রেজাল্ট গুলো কেমন আসে লক্ষ করেছেন, না করে থাকলে নিচের ছবি লক্ষ করুন।মার্ক করা অংশগুলো দেখুন। সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে সার্চ টার্মগুলোকে হাইলাইট করে রাখছে।

SEO এর আসলে কিছু Fundamentals rules আছে যেগুলো কখনই change হবে না। তাই আপনি যদি ঐ rules গুলো Follow করেন তবে অবশ্যই আপনি সফল হবেন। এর জন্য আপনারা Google এর Seo starter guide টা পড়তে পারেন। আপনারা অনেকেই জানেন ৩ ধরনের seo আছে ১. Whitehat Seo, ২. Greyhat Seo, ৩. Blackhat Seo -এর মধ্যে white hat seo সার্চ ইঞ্জিন পছন্দ করে। greyhat technique আসলে কিছুটা white ও কিছুটা black hat technique এর combination কিন্তু বর্তমানে SE এটা পছন্দ করে না এবং Black hat technique তো সার্চ ইঞ্জিন কখনই পছন্দ করে না। Black hat technique এর মাধ্যমে আসলে সার্চ ইঞ্জিনকে ধোকা দেয়া হয়। তাই সার্চ ইঞ্জিন যখন এটা বুঝতে পারে, তখনই সে ঐ ওয়েবসাইটের জন্য penalty এর ব্যবস্থা করে। আপনার সাইটটিকে যদি একটি ভাল অব্স্থানে নিতে চান তাহলে অবশ্যই Black hat seo কে এড়িয়ে চলবেন।

আজ এ পর্যন্তই পরবর্তী পর্বে On Page Seo এর HTML ট্যাগ সম্পের্কে আলোচনা করব। এসইও এর জন্য HTML জানার প্রয়োজন নেই, তবে যারা জানেন তারা তো কিছু extra benefit পাবেই। তবে যারা জানে না তাদের সমস্যা নেই এখানে দেখানো ট্যাগ গুলো বুঝলেই হবে।