খাটের দাম ৯০ লাখ ডলার!

২০১৪ সালে ৮ মিলিয়ন ডলার দিয়ে বিশাল এক বাড়ি কিনেছিলেন তিনি। ভোগ সাময়িকী জানিয়েছে, প্রাসাদসম ওই বাড়িতে আছে বিশাল আকৃতির পাঁচটি শোবার ঘর, শরীরচর্চার একটি বড় জায়গা, থিয়েটার ও সাজঘর। বাড়িটির রান্নাঘর ও স্নানঘরও নাকি দেখার মতো। মজার কথা হচ্ছে, যে খাটটিতে জেনিফার ঘুমান, সেটির দাম নাকি ৯ মিলিয়ন বা ৯০ লাখ ডলার। মানে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা!

দামি খাটে শুয়ে লরেন্স নিশ্চয়ই ট্রিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন দেখেন। তবে মাদারতারকার ভক্তদের প্রত্যাশা, তিনি যেন মাটির মানুষই থাকেন। সূত্র: ই নিউজ।

শাকিবের সঙ্গে গোপন বিয়ের খবর ফাঁস করে দিলেন অপু বিশ্বাস।

শাকিবের সঙ্গে গোপন বিয়ের খবর ফাঁস করে দিলেন অপু বিশ্বাস। সোমবার (১০ এপ্রিল) একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় অপু বলেন, ২০০৮ সালে ১৮ এপ্রিল আমাদের বিয়ে হয়েছে। শাকিবের ঢাকার বাসায় এই বিয়ে হয়। পরিবারের কাছের লোকজন সেই বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের সময় আমার নাম হয় অপু ইসলাম খান। শাকিবের ইচ্ছাতেই এত দিন বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে।

অপু আরও বলেন, শাকিবের ভালো চিন্তা করে এতদিন চুপ করেছিলাম। অনেক ছাড় দিয়েছি। ধৈর্য ধরতে ধরতে শেষ সীমানায় পৌঁছে গেছি। কারণ, সে আমাকে সবসময় ছোট করেছে। অনেক লাঞ্ছনা সহ্য করেছি। কিন্তু আর সইতে পারলাম না।

একপর্যায়ে অপু বিশ্বাস বলেন, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর শাকিব আমাকে বলেছিল নিজেকে লুকিয়ে রাখতে। তাই লুকিয়েছিলাম। কিন্তু সন্তান হওয়ার সময় শাকিব আমার পাশে ছিল না। তবে ঢাকায় আসার পর সন্তানকে দেখতে আসে। সন্তানের সব খরচও দেয়। সর্বশেষ শনিবার (৮ এপ্রিল) রাতেও সে আমার সাথে দেখা করেছে। বাচ্চাকে আদর করেছে।

এতদিন এসব খবর আড়াল রাখার প্রসঙ্গে অপু বলেন, শাকিবের ক্যারিয়ার এখন তুঙ্গে। সে আমার স্বামী। এসব কথা জানাজানি হয়ে গেলে তার সম্মানহানি হবে, ক্যারিয়ারের ক্ষতি হবে, তাই চুপ করে ছিলাম। কিন্তু সে এখন যেটা করছে সেটা অন্যায়। আমাকে আমার যোগ্য সম্মানটা দিচ্ছে না। আমি আর এই যন্ত্রনা সইতে পারছি না।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল শাকিবের সঙ্গে আমার বিয়ে অপুর। বিয়েতে শাকিব ছাড়াও উপস্থিত ছিল তার মা, চাচাতো ভাই ও আমার মা। খুব গোপনে বিয়ে হয়। ফরিদপুর থেকে কাজী রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করানো হয়।

শাকিব-অপুর সংসারে ৮ মাস বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে। ছেলের নাম আব্রাহাম খান জয়। গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি ক্লিনিকে তার জন্ম হয়।

 

ভালোবাসা দিবস উদযাপনে হুয়াওয়ের ‘লাভ ইন ফোকাস’

ঢাকা:লাভ ইন ফোকাস শীর্ষক প্রতিযোগিতা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উদযাপনের সুযোগ করে দিল বিশ্বখ্যাত স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হুয়াওয়ে। উক্ত প্রতিযোগিতায় পাঁচটি যুগল জিতে নিল নিজ নিজ সঙ্গীর সাথে মনোরম পরিবেশে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উদযাপনের এক দারুণ সুযোগ। এ লক্ষ্যে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উদযাপনের সময় প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মাধ্যমে সৌভাগ্যবান যুগল জিতে নিলো একটি হুয়াওয়ে জিআরফাইভ ২০১৭ স্মার্টফোন।

মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ অর্থ বহন এমন পছন্দের কোন জিনিস কিংবা বিশেষ কোনো স্থানের ছবি তুলে ছবিটির সাথে উপযুক্ত টাইটেল ও বিবরন দিয়ে ‘লাভ ইন ফোকাস’ অ্যাপ-এর মাধ্যমে আপলোড করে উক্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হয়েছে প্রতিযোগিদের।

পরে ছবিটি ফেসবুকে থাকা বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে হয়েছে তাদের। সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত যুগলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। বিজয়ী ঘোষণা করেছেন হুয়াওয়ে জিআরফাইভ ২০১৭-এর শুভেচ্ছা দূত মডেল ও চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া।

বিজয়ী ঘোষণা অনুষ্ঠানে ফারিয়া শীর্ষ পাঁচ যুগলদের তাদের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। সর্বোচ্চ উত্তর দিয়ে উক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বের বিজয়ী যুগল পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে হুয়াওয়ে জিআরফাইভ ২০১৭। শীর্ষ পাঁচ যুগল রাজধানীর সিক্স সিজনস হোটেলে সঙ্গীর সঙ্গে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উদযাপনের সুযোগ পেয়েছেন।

‘আমি শাহরুখ খানের অন্ধ ভক্ত’

ঢাকাই চলচ্চিত্রের পরিচিত নায়িকা তানহা তাসনিয়া। চিত্রনায়ক নিরবের বিপরীতে রফিক শিকদার পরিচালিত ‘ভোলা তো যায় না তারে’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পর্দায় পা রাখেন তিনি। তারপর অভিনয় করেন শফিক হাসান পরিচালিত ‘ধূমকেতু’ চলচ্চিত্রে। তানহা অভিনীত নির্মাণাধীন চলচ্চিত্র হচ্ছে জাকির হোসেন রাজুর ‘ভালো থেকো’। সম্প্রতি এ নায়িকা ঘুরে এসেছেন কলকাতা থেকে, ফেসবুকে চেকইন দিয়েছেন সেখানকার একটি নামি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের অফিসে। বিডি২৪লাইভ’র সাথে কলকাতা ভ্রমণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ হয়েছে এ নায়িকার। আলাপের কিছু অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

: কলকাতা যাওয়ার উদ্দেশ্যে কি? শুধুই ঘোরাঘুরি?
: ঘোরাঘুরি তো ছিলই। তবে বেশ কিছুদিন ধরেই কলকাতা যাওয়ার প্ল্যান চলছিল, কিছু মিটিংয়ের ব্যাপারে। সময় সুযোগের অভাবে যাই যাই করে যাওয়া হচ্ছিল না। এবার সুযোগ পেয়েছি, চিন্তা করলাম যাই ঘুরে আসি। কাজগুলোও সেরে আসি।

: কলকাতার একটি বড় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের অফিসে চেক ইন দিয়েছিলেন? কোন কিছুর আগাম পূর্বাভাস?
: পূর্বাভাস বলতে পারেন। হা হা হা। পহেলা বৈশাখের একটা প্রজেক্টের প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে। সবকিছু ফাইনাল হলে অবশ্যই জানাব।

: ‘রইস’ দেখলেন কলকাতার হলে? কেমন লাগল?
: প্ল্যান করেই সাউথ সিটির আইনক্সে দেখেছি। অনেক ভাল লেগেছে। দুইটি ছবি দেখেছি, ‘রইস’ আর ‘বিবাহ ডায়েরি’। আমি তো শাহরুখ খানের অন্ধ ভক্ত। তবে এবারই প্রথম হলে বসে শাহরুখ খানের ছবি দেখেছি। এটার একটা এক্সসাইটমেন্ট ছিল। শাহরুখ খান যে সব ধরনের ক্যারেকটার প্লে করতে পারে তারই প্রমাণ পাওয়া গেল এই ছবিটি থেকে।

: কলকাতার সিনেমা হলের পরিবেশ কেমন লাগল?
: হলের পরিবেশ অনেক ভাল লেগেছে। ভেতরে পরিবেশ, সাউন্ড, স্ক্রীন সব মিলিয়ে বেশ ভাল।

: ঢাকার সিনেমা হল আর কলকাতার সিনেমা হলের মধ্যে পার্থক্য কোথায়?
: কলকাতার হলের স্ক্রীন আমাদের থেকে অনেক ভাল মনে হয়েছে আমার কাছে।

: কলকাতায় বসন্তের উপহার পেয়েছিলেন, কে দিয়েছে?
: অবশ্যই ভালবাসা মানুষ। আমার পছন্দের মানুষই আমাকে বসন্তের উপহার দিয়েছিল, হা হা হা। ভ্যালেন্টাইন ডে আর পহেলা ফাল্গুন দুইটির উপহারই পেয়েছি, হা হা হা।

: কলকাতার কোন ডিরেক্টর বা প্রোডিউসার উপহার দেয়নি?
: হা হা হা, উনারও দিয়েছে। সেই ছবিগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড দেইনি। স্পেশাল মানুষেরটাই দিয়েছি।

: উনার সাথে (স্পেশাল মানুষ) আলাপ কিভাবে?
: সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ওর সাথে আমার পরিচয়। আপাতত এর বেশি কিছু জানাব না, হা হা হা।

: কলকাতায় কাজের প্ল্যান করছেন?
: এখন তো শিল্পীরা এপার ওপার করছে। সে হিসেবেই আমার প্ল্যান কলকাতায় কিছু কাজ করার। আমি মনে করি শিল্পীদের কোন গণ্ডি রাখা উচিত না। ওরা এপার বাংলায় কাজ করছে, আমরাও ওপার বাংলায় কাজ করব। তাহলেই হবে টিট ফর ট্যাট, হা হা হা।

: শুধুই কর্মাশিয়াল নাকি আর্ট ফিল্ম বা অফ ট্র্যাক ফিল্ম করারও ইচ্ছা আছে?
: কর্মাশিয়াল ফিল্ম কলকাতায় করার প্ল্যান নেই। অফ ট্র্যাক ফিল্ম করারই ইচ্ছা রয়েছে।

: অফ ট্র্যাক ফিল্মের জন্য আপনি নিজেকে কতটুকু প্রস্তুত করেছেন?
: আমি শতভাগ চেষ্টা করব নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য। ক্যারেক্টার ফুটিয়ে তোলার জন্য অবশ্যই গ্রুমিং করব।

: শহর হিসেবে কলকাতাকে কত দিবেন? আর ঢাকাকে কত?
: নিজের দেশ হিসেবে ঢাকাকে এগিয়ে রাখব। ঢাকা আর কলকাতার মধ্যে খুব একটা পার্থক্য নেই। তবে কলকাতায় দুইটি জিনিস ভাল লেগেছে। প্রথমত ওদের ট্রাফিক ব্যবস্থা। কলকাতার রাস্তায় জ্যাম নেই- এটা তো আমি ভাবতেই পারিনি। আর দ্বিতীয়ত হলো কলকাতা শহরটা খুব সাজানো মনে হয়েছে আমার কাছে।

: বর্তমান ব্যস্ততা কি নিয়ে?
: ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘ভালো থেকো’ ছবির শেষ অংশের কাজ শেষে করব। মার্চের শুরুতে গানের শুট্যিংয়ে নেপাল যাওয়ার কথা রয়েছে। তারপর ‘ভালো থেকো’র ডাবিং। আর পহেলা বৈশাখের কাজের ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে।

: পাঠকের উদ্দেশ্যে বলুন-
: আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন আপনাদের ভাল ভাল ছবি উপহার দিতে পারি। আর আপনারা হলে গিয়ে বেশি বেশি বাংলা ছবি দেখুন। তাহলে হলের পরিবেশ ভাল হবে, আমাদের ছবিগুলোও ভাল হবে।

: তানহা, ধন্যবাদ আপনাকে। সময় দেওয়ার জন্য।
: আপনাকেও ধন্যবাদ। সাথে বিডি২৪লাইভকেও ধন্যবাদ।

‘ট্রাম্প সমর্থক ছাড়া রুমমেট চাই’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রুমমেটের জন্য ট্রাম্প সমর্থকদের আবেদন করার দরকার নেই এমন বিজ্ঞাপন দিয়েই আলোচনায় এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির এক ছাত্রী। ইরানি বংশোদ্ভূত ওই মার্কিন নাগরিকের নাম শাহার কিয়ান। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের। খবরে বলা হয়, শাহার কিয়ান পত্রিকার শ্রেণিভুক্ত বিজ্ঞাপনের পাতায় রুমমেট চেয়ে আবেদন করেন। এতে রুমমেট হতে আগ্রহীদের জন্য তিনি বেশ কিছু শর্ত দিয়েছেন।

কিয়ানের শর্তের মধ্যে যেমন মাদকাসক্ত, পোষা প্রাণী ও মাংস বিক্রেতারা রুমমেট হতে পারবেন না, তেমনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেন এমন ব্যক্তিও আবেদন করার যোগ্য নন। এতে তিনি স্পষ্ট লিখেছেন, ট্রাম্প সমর্থকদের আবেদন করার দরকার নেই।

গত ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৩ বছর বয়সী কিয়ানই প্রথম যিনি পত্রিকায় এভাবে একটি দলের সমর্থকদের ‌‘না’ জানিয়ে বিজ্ঞাপন দিলেন। কিয়ান পড়ালেখার পাশাপাশি মধ্যপাচ্য ও আফ্রিকানদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করে এনজিও ‘অ্যামিডেস্টে’ চাকরি করেন। ইরানি বংশোদ্ভূত মার্কিন এই তরুণী তার ভবনের শীর্ষতলার ওই রুম ভাগাভাগির জন্য এক হাজার ৩০০ ডলার প্রদানের কথা বলেছেন। বাড়িটির নিচতলায় তার বাবা-মা বসবাস করেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রবেশনারি হিসেবে যারা চাকরি করেন, এভাবে একাধিক ব্যক্তি রুম ভাভাভাগি করে বসবাস করেন। এখানে মাঝারি ধরনের একটি রুমের মাসিক ভাড়া এক হাজার ৯৯০ ডলারের মতো। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ের পর রাজনৈতিক ডামাডোলে ভাড়ার এই হার বেড়েই চলেছে। এরপর থেকে টুইটার, রেডিট, ক্রেগলিস্ট এবং ফেসবুকে রুম ভাগাভাগি করে বসবাসের জন্য বাসা ভাড়ার বিজ্ঞাপনও বেড়ে গেছে।

আইফোন ৮ আসছে…

প্রযুক্তি ডেস্ক: আইফোন মানেই উন্মাদনা। প্রযুক্তিপ্রেমীরা অ্যাপলের যেকোনো পণ্যের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতেও রাজি আছেন। আর আইফোন ৮ এর জন্য আগ্রহ তো সীমা ছাড়িয়েছে। কারণ অ্যাপলের ১০ বছর পূর্তিতে বিশেষ সংস্করণ হিসাবে আসছে এই মডেলটি। অন্যান্য বারের চেয়ে এবার চাহিদা থাকবে অনেক বেশি। প্রতিবারই ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেয়ে যায় নির্মাতা। সেই কথা মাথায় রেখে এবার আগেভাগেই অনেক বেশি পরিমাণ আইফোন ৮ বানানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তারা।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্যান্য বারের চেয়ে অনেক আগেই নতুন ফোন বানানো শুরু করবে কম্পানি। স্মার্টফোনের ধারণাই বদলে যাবে বলে আশা করছেন ভক্তরা। তাই আইফোন ৮ এর জন্য ক্রেতাদের লাইন যে ইতিহাস গড়বে তা আশা করাই যায়। ২০০৭ সালে প্রয়াত স্টিভ জবস যখন প্রথম আইফোন বাজারে আনেন, সেই দিনক্ষণের কয়েক মাস বাদেই আসছে আইফোন ৮।

এ বছরের জুন থেকে সাপ্লাই চেইন শুরু করবে অ্যাপল। আইফোন এসই, আইফোন ৭ ও ৭ প্লাস যে সময়টাতে বানানো শুরু হয়, তার অনেক আগেই থেকেই শুরু হবে আইফোন ৮ এর উৎপাদান প্রক্রিয়া। এ ছাড়া আইফোন ৭ এবং ৭ প্লাস উৎপাদনও আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।

নতুন মডেলকে বলা হচ্ছে আইফোন ৮। কিন্তু এর সঙ্গে বরাবরের মতো আইফোন ৭এস ও ৭এস প্লাস আসবে বলেও ধারণা করছেন অনেকে।

অনেকে বলছেন, বাজারে আসার পর যেন আইফোন ৮ এর অভাব না দেখা দেয় সে বিষয়ে এবার সব ব্যবস্থা করে রাখবে অ্যাপল।

তাইওয়ানের এক সূত্রের উল্লেখ করে ডিজিটাইমস দাবি করেছে, নতুন ফোনের ক্ষেত্রে আইফোন বরাবরের সরবরাহকারী ফক্সকনকে বাদ দিয়েছে। আরেক নির্মাতা জাবিলের কাছ থেকে স্টেইনলেস স্টিলের দেহ বানিয়ে নিচ্ছে অ্যাপল।

সেই আইফোন ৪এস-এ শেষবারের মতো স্টেইনলেস স্টিলের দেহ ব্যবহার করা হয়েছিল। এরপর অ্যাপল অ্যালুমিনিয়াম কেস বেছে নেয়। আবারো ফিরতে চায় তারা সেই স্টিলে।

গুজব রয়েছে, কার্ভড ওলেড ডিসপ্লে মিলবে এবারের মডেলে। তবে ওলেড ডিসপ্লের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন কম্পানির উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা।

বারক্লেইস রিসার্চ অ্যানালিস্টদের মতে, চারদিকে কোনো সরু ফ্রেমে বন্দী থাকবে না পর্দা। ৫ ইঞ্চি এবং ৫.৮ ইঞ্চি পর্দার আইফোন আসেব নজরকাড়া ডিজাইন নিয়ে। ফ্রেম না থাকায় অনেক বড় দেখা যাবে পর্দা। আর কার্ভড স্ক্রিন হলে তো কথাই নেই।

যেহেতু পর্দার চারদিকে ফ্রেম থাকবে না, কাজেই আইফোনের আইকনিক হোম বাটন এবার না থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আরেক গুজবে বলা হয়, আইফোন ৮ উন্নত থ্রিডি টাচ প্রযুক্তি নিয়ে আসবে।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয় গত বছর কোন পাসওয়ার্ডটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়েছে? আপনি হয়তো কয়েকবার মাথা চুলকে অনুমান করার চেষ্টা করবেন।

অনুমানের আগে জেনে নিন গতবছর সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত পাসওয়ার্ডটি হচ্ছে ‘123456’। এমনকি গত বছরেও সবচেয়ে কম শক্তিসম্পন্ন পাসওয়ার্ডের তালিকার মধ্যে আছে ‘password’ ও ‘123456’। আর এ বছরে সবচেয়ে ব্যবহৃত পাসওয়ার্ডের তালিকায় জায়গায় পেয়েছে ‘123456789’ ও ‘qwerty’। অনলাইনে ফাঁস হওয়া প্রায় এক কোটি পাসওয়ার্ড বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা সংস্থা কিপার সিকিউরিটি।

এক্সপার্টদের ইনফরমেশন অনুযায়ী শীর্ষ ১০টি পাসওয়ার্ডের মধ্যে চারটিতে ছয় অক্ষর বা তার চেয়েও কম অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। ওই তালিকায় স্থান পাওয়া পাসওয়ার্ডের মধ্যে রয়েছে—‘12345678’, ‘111111’, ‘1234567890’, ‘1234567’, ‘password’, ‘123123’, ‘987654321’।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওই সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এখনকার পাওয়ারফুল পাসওয়ার্ড ভাঙার সফটওয়্যারগুলোর কাছে এসব দুর্বল পাসওয়ার্ড ভাঙা কয়েক সেকেন্ডের বিষয়। যেসব ওয়েবসাইটে এই ধরণের পাসওয়ার্ড ব্যবহার হয় তার ইউজার হয় দায়িত্বজ্ঞানহীন কিংবা অলস। প্রায় ১৭ শতাংশ ইউজার তাঁদের অ্যাকাউন্টের সিকিউরিটি কোড ‘123456’ এই পাসওয়ার্ড দেন।

‘পদ্মাসেতুতে দুর্নীতি হয়নি, বিশ্বব্যাংকই করাপ্ট’

পদ্মাসেতু নিয়ে বিশ্বব্যাংকের মিথ্যা অভিযোগের সমালোচনা করে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, পদ্মাসেতুতে দুর্নীতি হয়নি এটা জেনেও তারা দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে সেই বিশ্বব্যাংক ইটসেলফ দুর্নীতিবাজ। তারাই করাপ্ট। তারাই করাপ্ট গ্রাউন্ড এর উপর দাঁড়িয়ে আছে।

১২ ফেব্রুয়ারি রোববার জাতীয় সংসদের অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে একথা বলেন। পদ্মাসেতুতে কানাডার আদালত কোনো দুর্নীতির প্রমান পায়নি এসংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হওয়ার পর এনিয়ে কথা বলেন তিনি।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে উদ্দেশ্য করে মতিয়া বলেন, আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই, শক্রুতা চাই না। তাই বলতে চাই বিহেভ হিউম্যানলি এন্ড জেনন্টেলমেনলি।

তিনি বলেন, যখন টেলিভিশনের দেখলাম কানাডার আদালত রায় দিয়েছে পদ্মাসেতুর কোনো দুর্নীতি তারা পাননি। এসেনসিন লাভনিং তারাও নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে তখন আবেগে কন্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসছিল।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিজের জন্য এই সেতু করতে চাননি। সারা জাতির উপকারের জন্য, দেশের উন্নয়নের জন্য চিন্তা করেছিলেন। অথচ এটাকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাংক নিজেদের কি মনে করে জানি না । তবে তারা এতটা শক্তিশালী না। তাদের শক্তি ৩০ লাখ লোকের রক্ত ২ লাখ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে উপহাস করার শক্তি তাদের নেই। এই স্বাধীন দেশের মানুষকে অপমান করতে পারে এই শক্তি বিশ্বব্যাংকের আল্লাতালা দেন নাই।

তিনি বিশ্বব্যাংককে উদ্দেশ্য করে আরো তিনি বলেন, “ওখানে কিছু লোক বইয়া আছে, রিটায়ার। কারো কারো আবার নানান ধরনের কানেকশন। তার ভিত্তিতে ওইখানে বইসে কিছু টাকা নিয়া নাড়াচাড়া করে তারপর লম্বা লম্বা কথা বলে। ’

তিনি টিআইবির সমালোচনা করে বলেন, প্রতিষ্ঠাটি বলছে পদ্মাসেতুতে দুর্নীতি হয় নাই এজন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে জবাবদিহীতা চাওয়া উচিত। আমরা চাইব কেন? আমাদের কাছে তো প্রমাণই আছে। কিন্তু টিআইবি আপনারা কি করছেন? আপনার কৈফিয়ত চান না কেন? আপনারা তো সমস্ত কিছুতে আমাদের সরকারের কাছে কৈফিয়ত চান। আসলে আপনারা চাইতে পারবেন না। কারণ যাদের বিভিন্ন জায়গায় সুতায় বাধা তারা এটি চাইতে পারবে না।

আসিফের ‘এই শোন’ ইউটিউবে প্রকাশ (ভিডিও)

বিনোদন ডেস্ক:অডিও শাসনের পর এবার ভিডিও সাম্রাজ্যে হানা দিতে প্রস্তুত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। সাম্প্রতিক সময়ে মিউজিক ভিডিওর প্রতি বাড়তি নজর দিয়েছেন এই শিল্পী।

সেই ধারাবাহিকতায় ১১ ফেব্রুয়ারি শনিবার সিএমভি’র ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে তার নতুন একটি মিউজিক ভিডিও। ‘এই শোন’ শিরোনামে গানটিতে আসিফের সহশিল্পী হিসেবে আছেন সময়ের আরেক তরুণ জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মোহনা।

আসিফ-মোহনার ব্যয়বহুল এ ভিডিওতে শিল্পীদ্বয় ছাড়াও রোমান্টিক মডেল জুটি হিসেবে অংশ নিয়েছেন সোহানা ও মাহিন। আর এটি নির্মাণ করেছেন যৌথভাবে তপু খান ও আনিসুর রহমান রাজীব।

গানটি প্রসঙ্গে আসিফ বলেন, ‘রোমান্টিক একটি গান। ভিডিওতে সুন্দর একটা গল্প আছে। আশা করছি শ্রোতা-দর্শকদের ভালোই লাগবে।’

এদিকে অন্য কণ্ঠশিল্পী মোহনা বলেন, ‘আসিফ ভাইয়ের সঙ্গে এর আগেও আমি গান করেছি। আমাদের গাওয়া প্রতিটি গান হিট হয়েছে। আশা করছি এই ভিডিওটিও জনপ্রিয়তা পাবে।’

‘এই শোন’ গানটি লিখেছেন জীবন মাহমুদ। মাহফুজ ইমরানের সুরে সংগীতায়োজন করেছেন মুশফিক লিটু। ভিডিও প্রকাশ করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিএমভি।

নিঝুমদ্বীপে বিলুপ্তির পথে চিত্রা হরিণ

দেশে হরিণের অন্যতম অভয়ারন্য নোয়াখালীর নিঝুম দ্বীপ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় বন উজাড় করে বসতি গড়ে তোলায় আবাসস্থল হারাচ্ছে হরিণ। পর্যটন আবর্ষণ হারাচ্ছে দ্বীপটি। পর্যটকদের দাবী এখনই বনটিকে রক্ষা করা না গেলে অচিরেই নিঝুমদ্বীপ থেকে বিলুপ্ত হবে হরিন।

বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে আছে দেশের অন্যতম বৃহৎ পর্যটন কেন্দ্র নিঝুমদ্বীপ। এ দ্বীপের প্রধান আকর্ষণ কয়েক হাজার হরিন। সরকার ২০০১ সালে জাতীয় উদ্যান ও হরিণের অভয়ারন্য হিসেবে ঘোষণা করে নিঝুমদ্বীপকে। স্থানীয়দের দাবী এক সময় এ বনে হরিণ ছিল ৩০ হাজার। বন উজাড় হওয়ায় এ সংখ্যা নেমে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজারে।

নিঝুমদ্বীপে পর্যটকদের মূল আকর্ষণ হরিণ। গাছ কেটে বসতি গড়ে উঠায় আবাসস্থল হারাচ্ছে হরিণ। নিঝুমদ্বীপে গাছ ও হরিণ কমে যাওয়ায় ধীরেধীরে কমছে পর্যটক। হরিণ না দেখে হতাশ হয়ে ফিরতে হয় পর্যটকদের।

পর্যটকদের মতে দ্বীপের চারদিকে বেড়িবাঁধ না থাকায় নোনা পানি বনে ঢুকে হরিণের খাবার পানি ও খাদ্য সংকট দেখা দেয়।

নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌস বন উজাড় হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, হরিণ বাঁচানোর জন্য যে কোন মূল্যে রক্ষা করতে হবে বন।

জেলা বন কর্মকর্তা আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, মানুষ বন উজাড় করে বনে ঢুকে যাওয়ায় নিঝুমদ্বীপ ছেড়ে পার্শ্ববর্তী অন্য বনে চলে যাচ্ছে হরিণ।