তারকারা যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের উপস্থিতি বাড়াতে, অনুরাগীর সংখ্যা বৃদ্ধি করতে এবং কাজের প্রচার করতে ব্যস্ত, তখন ঠিক উল্টো পথে হেঁটেছেন দক্ষিণী অভিনেত্রী ঐশ্বর্যা লক্ষ্মী।
ইনস্টাগ্রাম থেকে দূরে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ২০২৫ সালে। দেখতে দেখতে প্রায় এক বছর কেটে গেলেও সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও আক্ষেপ নেই অভিনেত্রীর। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকার ফলে নিজের জীবনকে আরও ভালো ভাবে উপভোগ করতে পারছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে কেন এই সিদ্ধান্ত? এর পিছনে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি ছবি, অশালীন এডিট এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সব সময় নিজেকে তুলে ধরার মানসিক চাপ। অভিনেত্রীর বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈরি হওয়া এআই নির্ভর কনটেন্ট এবং তার ছবি নিয়ে অশালীন এডিটের প্রবণতা তাকে বিরক্ত করছে। একটা সময়ে এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তার বক্তব্য, এই ধরনের ছবি ও এডিটের অস্তিত্ব এখনও রয়েছে। ফলে শুধু সাময়িক বিরতি নয়, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখাই শ্রেয় বলে মনে করেছেন অভিনেত্রী।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, প্রথমে ইনস্টাগ্রাম পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবেননি তিনি। কাজের প্রয়োজনে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকা জরুরি বলে মনে করতেন। তাই প্রথম দিকে কিছুদিনের জন্য অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় রাখার কথাই ভেবেছিলেন। কিন্তু ধীরে ধীরে উপলব্ধি করেন, এই প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থাকার জন্য তাকে এমন একটি ব্যক্তিত্ব তুলে ধরতে হচ্ছে, যা সব সময় তার প্রকৃত সত্তার সঙ্গে মেলে না।
ঐশ্বর্যার কথায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও ব্যক্তি কী পোস্ট করছেন, তার ভিত্তিতে তাকে নিয়ে একটা নির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করে নেন অন্যরা। পরবর্তী সময়ে সেই ধারণার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার চাপও তৈরি হয়। অভিনেত্রীর মনে হয়েছিল, সোশ্যাল মিডিয়ায় টিকে থাকার জন্য তাকে যেন আলাদা একটি চরিত্রে অভিনয় করতে হচ্ছে। আর সেই চাপ থেকে মুক্তি পেতেই সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
Priyo Bangla 24 – Most Popular Bangla News The Fastest Growing Bangla News Portal Titled Priyo Bangla 24 Offers To Know Latest National And Local Stories.