স্বামী যদি স’হবা’সে অ’ক্ষ’ম হয়, তাহলে স্ত্রীর কী করা উ’চিৎ

স্বামী যদি স’হবা’সে অ’ক্ষ’ম হয়, তাহলে স্ত্রীর কী করা উ’চিৎ

স্বামী যদি সহবাসে অক্ষম হন, তাহলে স্ত্রীর কী করা উচিত? নীরবে কষ্ট নয়, জানুন বাস্তবতা ও সমাধানের পথ
বিবাহিত জীবনে শারীরিক সম্পর্ক শুধু একটি জৈবিক চাহিদা নয়; এটি স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক ভালোবাসা, বিশ্বাস ও মানসিক সংযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু যখন কোনো কারণে স্বামী সহবাসে অক্ষম হয়ে পড়েন, তখন বিষয়টি শুধু একজন ব্যক্তির শারীরিক সমস্যায় সীমাবদ্ধ থাকে না; এর প্রভাব পড়ে পুরো দাম্পত্য সম্পর্কে।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সমাজে এই বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা এখনো অনেকটাই নিষিদ্ধ বা বিব্রতকর বলে বিবেচিত হয়। ফলে অনেক দম্পতি বছরের পর বছর সমস্যার মধ্যে থেকেও চিকিৎসা বা পরামর্শ নিতে সাহস পান না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটাই সবচেয়ে বড় ভুল।

সহবাসে অক্ষমতা বলতে কী বোঝায়?
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন—

ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (লিঙ্গ উত্থানে সমস্যা)
দ্রুত বীর্যপাত
হরমোনজনিত সমস্যা
ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা বিষণ্নতা
কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগ বা ওষুধের প্রভাব
অর্থাৎ, সব ক্ষেত্রে কারণ এক নয় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর চিকিৎসা সম্ভব।

স্ত্রীর প্রথম করণীয় কী?
মনোবিদদের মতে, প্রথমেই স্বামীকে অপমান, দোষারোপ বা অন্যের সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়। কারণ এতে সমস্যার সমাধান হওয়ার পরিবর্তে মানসিক দূরত্ব আরও বেড়ে যায়।

বরং পরিস্থিতি বুঝে ধৈর্য ধরে পাশে থাকা, খোলামেলা কথা বলা এবং চিকিৎসা নিতে উৎসাহিত করা জরুরি।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন?
যদি সমস্যা কয়েক মাস ধরে চলতে থাকে এবং স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবন ব্যাহত হয়, তাহলে অবশ্যই যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ, ইউরোলজিস্ট বা এন্ডোক্রিনোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে এমন অনেক সমস্যা সফলভাবে সমাধান করা সম্ভব।