অনেক পুরুষই সকালে ঘুম থেকে উঠে লক্ষ্য করেন যে, তাদের লিঙ্গ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি দৃঢ়। এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, যাকে ‘নকচার্নাল পেনাইল টিউমিসেন্স’ (NPT) বলা হয়। তবে প্রশ্ন হলো, সকালে এই অবস্থায় হস্তমৈথুন করা শরীরের জন্য ভালো নাকি খারাপ? আসুন, জেনে নিই এর সম্ভাব্য উপকারিতা ও ক্ষতি।
সকালে হস্তমৈথুনের সম্ভাব্য উপকারিতা
✅ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে: হস্তমৈথুনের মাধ্যমে শরীরে ডোপামিন ও অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে।
✅ ভালো ঘুম আনতে পারে: অনেকেই হস্তমৈথুনের পর রিল্যাক্সড অনুভব করেন, যা রাতে ভালো ঘুমের মতো সকালের পরও আরামদায়ক বিশ্রামের সুযোগ দিতে পারে।
✅ সকালের এনার্জি বাড়ায়: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, হস্তমৈথুনের মাধ্যমে এন্ডরফিন নিঃসৃত হয়, যা সারাদিনের জন্য ইতিবাচক মুড বজায় রাখতে পারে।
✅ প্রোস্টেটের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে: নিয়মিত বীর্যপাত প্রোস্টেটের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক হতে পারে বলে কিছু গবেষণায় বলা হয়।
সকালে হস্তমৈথুনের সম্ভাব্য ক্ষতি
⚠️ অতিরিক্ত করলে দুর্বলতা আসতে পারে: একাধিকবার হস্তমৈথুন করলে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দেখা দিতে পারে।
⚠️ সকালের সময় অপচয় হতে পারে: সকালের প্রোডাক্টিভ সময় যদি অতিরিক্ত হস্তমৈথুনে ব্যয় হয়, তবে এটি কাজের ক্ষতি করতে পারে।
⚠️ অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা তৈরি হতে পারে: যদি এটি অভ্যাসে পরিণত হয়, তবে স্বাভাবিক যৌন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
⚠️ টেস্টোস্টেরন লেভেল সাময়িকভাবে কমতে পারে: সকালে শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বেশি থাকে, যা হস্তমৈথুনের পর সাময়িকভাবে কমে যেতে পারে।
তাহলে কী করা উচিত?
সকালে হস্তমৈথুন করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়, যদি এটি অতিরিক্ত না করা হয়। তবে যদি এটি আপনার দৈনন্দিন কাজ বা ব্যক্তিগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, তবে নিয়ন্ত্রণ করাই ভালো।
আপনার জন্য কোনটা ভালো, সেটা নির্ভর করছে আপনার ব্যক্তিগত অভ্যাস ও শারীরিক অবস্থার ওপর। তাই সবসময় স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার ওপর গুরুত্ব দিন!