ইসলামের স্পষ্ট বিধান অনুযায়ী, বৈধ স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো নারীর সাথে শারী’ক সম্পর্ক স্থাপন করার কোনো সুযোগ বা বৈধতা নেই। কুরআন ও সুন্নাহর বিধান অনুযায়ী স্ত্রী ব্যতীত কেবল শরী’আতসম্মতভাবে মালিকানাভুক্ত দাসী বা উপপত্নীর (যাকে কুরআনে ‘মা মালাকাত আইমানুকুম’ বা ডান হাতের মালিকানা বলা হয়েছে) সাথে সম্পর্ক রাখার ঐতিহাসিক বিধান ছিল। তবে বর্তমান যুগে দাসপ্রথা সর্বসম্মতিক্রমে বিলুপ্ত হওয়ায় এবং এর প্রচলন না থাকায়, ইসলামী আইন ও ফিকহ অনুযায়ী কেবল বৈধ স্ত্রীর সাথেই শারী’ক সম্পর্ক স্থাপন করা সম্পূর্ণ ও একমাত্র বৈধ উপায়।কুরআনের মূল ভিত্তি ও বিধানলজ্জাস্থান হেফাজত: পবিত্র কুরআনের সূরা আল-মু’মিনূন (আয়াত ৫-৬) এবং সূরা আল-মাআরিজে (আয়াত ২৯-৩০) আল্লাহ তাআলা মুমিনদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে বলেছেন যে তারা তাদের লজ্জাস্থান সংযত রাখে, কেবল তাদের স্ত্রী এবং ডান হাতের অধিকারভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্র ছাড়া।ব্যভিচারের নিষেধাজ্ঞা: স্ত্রী ও শরী’আতসম্মত মালিকানা ছাড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে সম্পর্ক বা যিনা সম্পূর্ণ হারাম ও মারাত্মক কবিরা গুনাহ।বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিধানদাসপ্রথার বিলুপ্তি: ইসলামে দাসী বা উপপত্নী রাখার বিধানটি মূলত তৎকালীন সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক যুদ্ধবন্দির বাস্তবতার সাথে সম্পর্কিত ছিল।একমাত্র মাধ্যম বিবাহ: আধুনিক যুগে আন্তর্জাতিকভাবে দাসপ্রথা বিলুপ্ত এবং নিষিদ্ধ হওয়ার পর ইসলামী আইন বিশেষজ্ঞদের ঐকমত্যে সেই বিধান বর্তমান সমাজে কার্যকর নয়। ফলে বর্তমান যুগে কেবল বৈধ নিকাহ বা বিয়ের মাধ্যমেই শারী’ক সম্পর্ক সীমাবদ্ধ।

Priyo Bangla 24 – Most Popular Bangla News The Fastest Growing Bangla News Portal Titled Priyo Bangla 24 Offers To Know Latest National And Local Stories.