মহার্ঘ ভাতা নিয়ে সচিবালয় কর্মকর্তাদের দাবি ও সর্বশেষ আপডেট

বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে মহার্ঘ ভাতার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটি আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি পেশ করেছে।

মহার্ঘ ভাতা: কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ কারণে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা বা মহার্ঘ ভাতার জন্য জোরালো দাবি জানাচ্ছেন

সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি ও আলোচনার মূল বিষয়বস্তু

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের নেতারা মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবির বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

মূল আলোচ্য বিষয়গুলো ছিল:

মহার্ঘ ভাতা দ্রুত কার্যকর করা
সঞ্জীবনী প্রশিক্ষণ বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা
ইনহাউস প্রশিক্ষণের সময় ৬০ ঘণ্টা থেকে ৫০ ঘণ্টায় নামানোর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা

সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যখন মহার্ঘ ভাতা ঘোষণার অপেক্ষায় অধীর আগ্রহে দিন কাটাচ্ছেন, ঠিক তখনই প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত এসব পরিবর্তন হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের প্রতিক্রিয়া

আলোচনায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব কর্মচারীদের দাবির বিষয়গুলো বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন

বিশেষ করে মহার্ঘ ভাতা প্রসঙ্গে তিনি জানান, বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির হার বর্তমানে প্রায় স্থিতিশীল হওয়ার পথে। তাই ২০২৫ সালের মে-জুন মাসের মধ্যে এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে

মহার্ঘ ভাতা: সরকার কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?

২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে নতুন ঘোষণা আসতে পারে
মুদ্রাস্ফীতির চাপ বিবেচনায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়ানো হতে পারে
সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেওয়া দাবি পর্যালোচনার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হতে পারে

সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সুবিধা, যা তাদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে সহায়তা করবে। সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ২০২৫ সালের মে-জুন মাসের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের এই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে