‘কেউ মল ত্যাগ করে হাত ধোয়না, তো কেউ মাজে না দাঁত ‘, তারকাদের বদভ্যাস শুনলে ছি ছি করবেন আপনিও

বলিউড মানেই ঝাঁ চকচকে গ্ল্যামারে পরিপূর্ণ একটা দুনিয়া। এখানকার বাসিন্দাদের নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই ভক্তমহলে। বিশেষ করে তাদের ব্যক্তিগত জীবনে উঁকিঝুঁকি দিতে তো সবাই ভালোবাসে। এমতাবস্থায় অনেকেই মনে করেন যে, বলি-বাসিন্দারা যেহেতু তারকা তাই সর্বদাই তারকা সুলভ আচরণই করবেন তারা। কিন্তু জানেন কি তাদেরও কিছু খুব বদঅভ্যাস রয়েছে। তেমনই কিছু গোপন কথা তুলে নিয়ে এলাম আমরা। চলুন দেখে নিন সেই তালিকা।

১. শাহরুখ খান : বলিউড বললেই সবার আগে যে নামটা মাথায় আসে তা হল কিং খান শাহরুখ। দেশ তো বটেই, সারাবিশ্বের রমণীদের হার্টথ্রব তিনি। এহেন কিংবদন্তি মানুষটিরও কিন্তু বেশ বাজে একটা অভ্যাস রয়েছে। সূত্রের খবর, সবসময়ই নাকি জুতো পরে থাকেন তিনি।

২. সুস্মিতা সেন : এই গ্ল্যামারাস অভিনেত্রীকে পথ হারায়নি এমন পুরুষ ভারতে দুর্লভ। সৌন্দর্যের প্রতিমূর্তি সুস্মিতারও কিন্তু রয়েছে কিছু বদভ্যাস। শোনা যায় তিনি নাকি কিছুতেই বাথরুমে স্নান করতে পারেননা। খোলা আকাশের নিচে স্নান করাতেই তার তৃপ্তি। আর এই কারণেই তার বাড়ির ছাদে রয়েছে এক বিশাল বাথটব।

৩. ক্রিশ্চিয়ানা আগুইলেরা : তালিকার পরবর্তী নাম আমেরিকান পপস্টার ক্রিশ্চিয়ানো আগুইলেরা। তার স্বভাব এতোটাই নোংরা যে শুনলে আপনিও অবাক হবেন। বাথরুমের এক সাফাইকর্মী জানান যে, মলত্যাগের পর শৌচকর্ম করেন না এই বিখ্যাত তারকা। এমন কি ঐ হাতেই কারো সাথে হাত মেলাতেও দ্বিধাবোধ করেননা তিনি।

৪. জেসিকা সিম্পসন : জেসিকা সিম্পসনের নামও রয়েছে এই তালিকায়। তারও রয়েছে এক নোংরা অভ্যাস। সূত্রের খবর, সপ্তাহে মাত্র ৩ দিন দাঁত মাজেন তিনি। এখন প্রশ্ন আসবে যে, বাকি চারদিন তিনি কী করেন? জেনে অবাক হবেন যে, বাকি দিনগুলি তিনি কাপড় দিয়ে ঘষে দাঁত মুছে নেন! তাহলেই বুঝুন কান্ড!

৫. জিতেন্দ্র : বলিউডের বড়ো নাম জিতেন্দ্র। তার বদভ্যাসের কথা শুনলে তো চক্ষু চড়কগাছ হবে যে কারোরই। সূত্রের খবর, বাথরুমে বসে মলত্যাগ এবং খাবার খাওয়া– দুটো কাজ একসাথেই করেন তিনি। বাথরুমে ঢোকারসময় একখানা পাকা পেঁপে থাকে তার সাথে! এছাড়া নাকি তার পেট পরিষ্কার হয়না।

About প্রিয় বাংলা ২৪

প্রিয় বাংলা ২৪ একটি দ্রুত বর্ধনশীল বাংলা নিউজ পোর্টাল, যা জাতীয় ও স্থানীয় সর্বশেষ খবর, প্রযুক্তি বিষয়ক টিপস এবং শিক্ষামূলক কনটেন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ ও তথ্য সহজ, নির্ভরযোগ্য এবং পাঠকবান্ধবভাবে উপস্থাপন করে।